kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণে বাধা গ্রামবাসীর

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২১:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণে বাধা গ্রামবাসীর

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপ ইউনিয়নের নওকৈড় গ্রামে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণের প্রতিরোধে আজ মঙ্গলবার সকালে নওকৈড় গ্রামের নারী পুরুষেরা লাঠিসোঠা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাটি ভরাটের কাজে বাধা সৃষ্টি করে। তারা ঘটনাস্থলে প্রবেশ পথে গাছ কেটে ফেলে ও রাস্তা কেটে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এমনকি আগুন জ্বেলে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি হয় প্রতিবাদকারীরা। পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নওকৈর গ্রামের রেজাউল করিম মুন্সী, রফিকুল ইসলাম, হেকমত আলী ও রানী খাতুন গণমাধ্যম কর্মীদেরকে জানান, উপজেলা প্রশাসন তাদের গ্রামের মাঠে খাস জায়গায় আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু তাদের বরাদ্দকৃত ৪.২৭ একর জায়গার মধ্যে গ্রামবাসীর নিজস্ব মালিকানার জায়গা রয়েছে ১.৫৩ একর তিন ফসলি জমি। গ্রামবাসী তাদের এই নিজস্ব আবাদী জমিতে আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মাণ করতে অনেক দিন ধরেই বাঁধা দিয়ে আসছে। তারা যেকোনো মূল্যে তাদের জায়গায় মাটি ভরাটের কাজ প্রতিরোধ করবে বলে জানান।

এ ব্যাপারে সলপ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শওকাত ওসমান জানান, নওকৈড় গ্রামে প্রস্তাবিত আশ্রয়ণ প্রকল্পে এলাকার হতদরিদ্র ছিন্নমূল ১০০ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে। নওকৈড় গ্রামবাসীর জায়গার দাবি অযৌক্তিক।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নওকৈড় গ্রামে সরকারি খাস জায়গার উপর আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা হচ্ছে। এখানে যে জায়গাটুকু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তার পুরোটাই খাস।

তিনি আরো জানান, নওকৈড় গ্রামবাসী তাদের নিজস্ব জায়গা হিসেবে যে জায়গা দাবি করছেন সেই জায়গা আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণের খাস জায়গার মধ্যে নেই। তাদের যদি এই জায়গার ভিতরে রেকর্ডীয় জমি থাকে এবং তারা যদি তাদের জমির যথাযথ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারে তাহলে তাদের সে জায়গা ফেরত দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, উক্ত নওকৈড় গ্রামের মাঠে আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসন ৪.২৭ একর খাস জমি বরাদ্দ দিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই জায়গায় মাটি ভরাটের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস থেকে ৪৭০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। মাটি ভরাটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সলপ ইউনিয়ন পরিষদের উপর। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা