kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

হিলিতে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি    

৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:২৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হিলিতে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম

উত্তরের জনপদ হিলি বন্দরসহ আশপাশের উপজেলাগুলোতে অনেকটাই শীতের প্রকোপ শুরু হয়েছে। সকালটা ঘন কুয়াশার মাঝ দিয়ে শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে গরমের প্রকোপ। আবার বিকেল গড়লেই যেন শরীরে উঁকি দেয় অগ্রহায়নের শীত।

এই শীতে গ্রামের মানুষের মজার খাবার হলো ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, রসমালাই। কালের পরিক্রমায় এসব পিঠা উৎসব গ্রাম অঞ্চল থেকে উঠেই গেছে। এরমধ্যে গ্রাম অঞ্চলে গোলায় ধানও উঠতে শুরু করেছে। শীতের সকালে হিলি স্থলবন্দর এলাকায় বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বসে ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান। এসব দোকানগুলোতে দেখা যায় পিঠা প্রেমীদের উপচেপড়া ভিড়।

শীতের সকালে ভাপা পিঠা এবং বিকেলে চিতই পিঠা খেতে পিঠা প্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে এসব পিঠার দোকান। এখন আগের মতো বাসা-বাড়িতে এসব পিঠার আয়োজন না থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে এ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে। পিঠার দোকানে ভিড় করছে ধনী-গরিবসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ।

আকরাম হোসেন নামে এক পিঠা প্রেমী বলেন, কোনো ঝামেলা ছাড়াই হাতের নাগালে আমরা ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা পাচ্ছি। দাম কম আবার খেতেও সুস্বাদু। তাই আমি প্রতিদিন সন্ধ্যায় ও সকালে পিঠা খেতে আসি।

হিলি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাঈম জানায়, আমি প্রতিদিন সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় একটা করে ভাপা পিঠা খাই। আমি আমার পাঠ্য বইয়ে পড়েছি ভাপা পিঠা, চিতই পিঠার নাম। মা এসব পিঠা তৈরি করেনি তাই খেয়ে দেখিনি। এখন বাজারে পিঠার দোকানে এসে দেখলেই লোভ সামলাতে পারি না তাই পিঠা খাই।

হিলি গোডাউন মোড়ে পিঠার দোকানে পিঠা খেতে আসা বৃদ্ধ ময়েজ উদ্দিনের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, আগের মতো বাসায় আর পিঠা উৎসব হয় না। বাজারে পিঠার দোকান দেখে লোভ সামলাতে পারলাম না, তাই তিনটি ভাপা পিঠা খেলাম। তবে আগের স্বাদ আর সেই পিঠা-পুলিতে নেই।

পিঠা বিক্রেতা মনোয়ারা বেগম বলেন, সকালে গরম গরম ভাপা পিঠা আর সন্ধ্যায় চিতই পিঠার কদর বেড়েছে। আমার দোকানে বিক্রি খুব ভালো হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত ১০ পর্যন্ত ১ হাজার থেকে ১২শ’ টাকার পিঠা বিক্রি করে থাকেন। এতে পিঠা তৈরির উপকরণসহ ও জ্বালানি খরচ বাদ দিয়ে ৪শ’ থেকে ৫শ’ লাভ হয় বলে তিনি জানান। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা