kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

পারিবারক কলহের জের

সেতুর ওপর থেকে বুড়িগঙ্গায় ফেলে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেতুর ওপর থেকে বুড়িগঙ্গায় ফেলে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

পারিবারক কলহের জের ধরে বুড়িগঙ্গা প্রথম সেতু (পোস্তগোলা ব্রিজের) ওপর থেকে নদীতে ফেলে এক গৃহবধূকে হত্যা করল পাষণ্ড স্বামী। নিহত গৃহবধূর নাম কানিজ ফাতেমা সাম্মু (৩৫)। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাত ১১টায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা সঙ্গে সঙ্গে পাষণ্ড স্বামী রিপনকে আটক করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশে সোপর্দ করে। নিহতের বাড়ি রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানার ৬০/৬১ মিলব্যারাক কেবি রোড এলাকায়। তার বাবার নাম মৃত ওসমান জাফর।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাম্মু ও রিপনের পারিবারিকভাবে শরিয়ত মোতাবেক ২০০৭ সালে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে তারা ৬০/৬১ মিলব্যারাক কে বি রোডে রিপনদের নিজ বাড়িতেই বসবাস করতেন। বিয়ের পর থেকেই তাদের পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। 
দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। পারিবারিক কলহ ছিল তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। শনিবার সন্ধ্যায়ও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এরপর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রিপন ঘুরতে বের হবার কথা বলে স্ত্রী সাম্মুকে নিয়ে পোস্তখোলা ব্রিজের ওপরে আসে। 

ব্রিজের মাঝামাঝিতে আসলে স্ত্রী সাম্মুকে ব্রিজ থেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেয় পাষণ্ড স্বামী রিপন। ঘটনাটি ব্রিজের ওপর থাকা পথচারীদের নজরে আসলে তারা রিপনকে আটক করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ রিপনকে গ্রেপ্তার করে। 
পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে নিহত সাম্মুর পরিবারের লোকজন সারা রাত নদীর পারে সাম্মুকে জীবিত অথবা মৃত খুঁজতে থাকেন।

গতকাল রবিবার সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন হাসনাবাদ মোকামপাড়া এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তি স্থানে সাম্মুর লাশ ভেসে উঠে। পুলিশ নিহত সাম্মুর ভাসমান লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক‍্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় নিহত সাম্মুর ছোট বোন রিফাত ফাতেমা বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা