kalerkantho

বুধবার । ২৯ জানুয়ারি ২০২০। ১৫ মাঘ ১৪২৬। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

স্কুল আছে, পরীক্ষার্থী নেই

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২০:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্কুল আছে, পরীক্ষার্থী নেই

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে রয়েছে বিদ্যালয়ের তথ্য। ডিআর (ডেসক্রিপ্টেট রোল) ব্যাংকে জমা দিয়ে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষাতেও অংশগ্রহণ করেছে শিক্ষার্থী। আর সেই বিদ্যালয়ে চলতি বার্ষিক পরীক্ষাতে অংশগ্রহণ করেনি প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির কোনো শিক্ষার্থী।

এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৫ নম্বর গাংগাইল ইউনিয়নের পূর্বকান্দা গ্রামে স্থাপিত পূর্বকান্দা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

আজ রবিবার সরজমিনে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। বিদ্যালয়টি একটি দুচালা টিনের ঘর ছাড়া বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিল কিছুই নেই।

বিদ্যালয়ের জমিদাতা আবুল কালাম আজাদ জানান, শাইলধরা গ্রামের মঈন উদ্দিন সুমন নামে এক ব্যক্তি বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হিসেবে সরকারি রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করবেন বলে ৫ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। ২০১৯ প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ৫ম শ্রেণিতে ৫ জন ভুয়া ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঐ ৫ ছাত্র-ছাত্রীকে সমাপনী পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করেন এবং বিদ্যালয়টিকে কালো তালিকাভূক্ত করার জন্য নান্দাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করেন।

জানা যায়, এই ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার তাসলিমা বেগম লিপি বিদ্যালয় কোনো রকম পরিদর্শন না করেই অজ্ঞাত কারণে ৫ জন ছাত্রছাত্রীকে পিইসি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেন।

বিদ্যালয়ের কথিত প্রধান শিক্ষক মাঈন উদ্দিন সুমন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে জানান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে কাগজপত্র ঠিক থাকলে বিদ্যালয় গেজেটভূক্ত করা কোনো বিষয় না। নান্দাইলে এ ধরনের আরো প্রতিষ্ঠান গেজেটভূক্ত হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী জানান, এই বিদ্যালয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। কোনো ভুয়া প্রতিষ্ঠান গেজেটভূক্ত হওয়ায় সুযোগ দেওয়া হবে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা