kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

গণপূর্তমন্ত্রী বললেন

মুক্তিযোদ্ধাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

পিরোজপুর প্রতিনিধি   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৭:৪৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মুক্তিযোদ্ধাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধারা এ জাতির গর্ব, এ জাতির গৌরব, এ জাতির অহংকার। মুক্তিযুদ্ধ দ্বিতীয়বার আসবে না, অনেকের লক্ষ কোটি টাকা হতে পারে, মন্ত্রী হতে পারে, এমপি হতে পারে, প্রধানমন্ত্রী হতে পারে, রাষ্ট্রপতি হতে পারে কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সুযোগ নেই। ফলে মুক্তিযোদ্ধারা জাতির বীর সন্তান। এই গর্বের জায়গাটা কেউ স্পর্শ করতে পারবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানাতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা যত প্রকার সুযোগ-সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন সেগুলো দিয়ে যাচ্ছেন। তার লক্ষ রয়েছে মুক্তিযোদ্ধার পরিবার, তার সন্তান এমনকি তাদের পরবর্তী প্রজন্ম যাতে রাষ্ট্রের সকল সুবিধা পেতে পারেন সেজন্য সবকিছু তিনি নিশ্চিত করবেন।

আজ রবিবার পিরোজপুর হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর রক্ত যার ধমনীতে বহমান, বঙ্গবন্ধুর ডাকে যারা মুক্তিযুদ্ধে সাড়া দিয়েছিলেন, তাদেরকে এ জাতীর উজার ভালোবাসা, অবনত চিত্তে শ্রদ্ধা করা কেবল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই পারেন অন্য কেউ নয়।

পিরোজপুর গোপাল কৃষ্ণ টাউন ক্লাব মাঠের স্বাধীনতা মঞ্চে এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন। এ সময় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য শেখ অ্যানী রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক নাহিদ ফারজানা ছিদ্দিকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান মালেক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদারসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনজন বিশেষ প্রবীন মুক্তিযোদ্ধাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেষ্ট বিতরণ করেন মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসক।

এর আগে শহীদ ভাগিরথী চত্বরে নির্মিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভে পূষ্পমাল্য অর্পণ, বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব, নবনির্মিত স্বাধীনতা মঞ্চ উদ্বোধন এবং জাতীয় ও মুক্তিযুদ্ধের পতাকা উত্তোলন করেন প্রধান অতিথি শ ম রেজাউল করিম ও শেখ অ্যানী রহমান।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাহিদ ফারজানা ছিদ্দিকী, পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মালেক, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা গৌতম রায় চৌধুরী প্রমুখ।

এর আগে মন্ত্রী জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত শহরের পুরাতন ডিসি অফিস সংলগ্ন কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১ জানুয়ারি ২০২০ শিক্ষা কার্যক্রম ও ভবনের উদ্বোধন করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা