kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ধর্ষক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২১:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ধর্ষক

ধর্ষণ ঘটনার পর তরুণী থানায় মামলা করলেও বলতে পারছিলেন না অভিযুক্তের পরিচয়। পথিমধ্যে পরিচয় হওয়া তরুণীকে কৌশলে ধর্ষণ করে পালিয়ে গিয়েছিল যুবক। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। একটি দোকানের ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরায় ধরা পড়েছে যুবকের ছবি। তারই সূত্র ধরে পুলিশ শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তার করেছে মো. রাজু আহমেদ (৩০) নামের যুবককে। ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়ার।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার করা রাজু আহমেদের বাড়ি আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামে। পিতার নাম মো. হামদু মিয়া। শনিবার বিকেলে পলাতক রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয় পাশের কুড়িপাইকা এলাকা থেকে।

রাজু আহমেদ শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে আখাউড়ায় আসা এক গার্মেন্ট কর্মীকে কৌশলে আব্দুল্লাহপুর এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে। গার্মেন্ট কর্মী তরুণী এসেছিলেন আখাউড়ার শাহপীর কল্লা শহীদ মাজারে। ট্রেনে আসার পথে রাজু নামে যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় তরুণীর। আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে নামার পর তরুণী খড়মপুর মাজার এলাকায় যেতে চাইলে রাজু তাকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়। অন্য মাজারে নিয়ে যেতে প্রস্তাব দিয়ে রাজু আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রাতে তরুণীকে বসিয়ে রাখে। সড়ক বাজারের যে দোকানে নিয়ে রাজু তরুণীকে বসিয়ে রাখে সেখানে ছিল সিসি ক্যামেরা। তাতেই ধরা পড়ে রাজুর চেহারা। কিছুক্ষন পর রাজু তরুণীকে কৌশলে আব্দুল্লাহপুর এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানেই তাকে ধর্ষণ করা হয়।

আখাউড়া থানার ওসি মো. রসুল আহমেদ নিজামী জানান, শনিবার সকালে থানায় পৌছে তরুনী ধর্ষণের অভিযোগ করেন। কিন্তু ট্রেনে পরিচয় হওয়া যুবক সম্পর্কে তথ্য দিতে পারছিলেন না। বলতে পারছিলেন না অভিযুক্ত যুবকের নাম,ঠিকানা। সড়ক বাজার এলাকার দোকানে নিয়ে গেলে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তিনি রাজুকে শনাক্ত করেন। পরে শনিবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় রাজুকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা