kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

কান্না থামছে না মেঘনায় লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত হুমায়ূনের স্ত্রীর

শরীয়তপুর প্রতিনিধি    

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কান্না থামছে না মেঘনায় লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত হুমায়ূনের স্ত্রীর

নারায়ণগঞ্জের চরকিশোরগঞ্জ এলাকার মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হুমায়ূন কবির বন্দুকছির গ্রামের বাড়িতে চলছে মাতম। তার মৃত্যুর সংবাদ গ্রামে পৌঁছার পর স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্ত্রী সিমা আক্তার ও একমাত্র ছেলের কান্নায় পরিবেশ ভাড়ি হয়ে ওঠে। নিহত হুমায়ূন কবির বন্দুকছি (৩৭) শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রামভদ্রপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হাই বন্দুকছির ছেলে।

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রাপুর এলাকার আবদুল হাই বন্দুক ছির ছেলে হুমায়ূন কবীর বন্দুকছী ঢাকার উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরে একটি হাউজিং কম্পানিতে ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতেন। শুক্রবার ছুটি থাকায় সকালে বাড়ি আসেন পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। ঐ দিন সন্ধ্যায় শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর লঞ্চ ঘাট থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশে রওনা হন হুমায়ুন কবীর। এবং পথে লঞ্চ দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত হুমায়ূনের স্ত্রী সিমা আক্তার বলেন, শুক্রবার ছুটি ছিল। তাই আমাদের দেখতে দুপুরে গ্রামের বাড়িতে আসেন তিনি। পরে রাতের লঞ্চে শরীয়তপুরের সুরেশ্বর থেকে ঢাকা সদরঘাট রওনা দেয়। রাত ১টার দিকে দুই লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় আমার স্বামী নিহত হন। এখন আমার ছেলে কাকে বাবা বলে ডাকবে?

নিহত হুমায়ূনের চাচাতো ভাই ফারুক বলেন, আমি ঢাকা ছিলাম। হুমায়ূন ভাইর মৃত্যুর কথা শুনে তাকে উদ্ধার করতে যাই। তার দুই পা শরীর থেকে আলাদা হয়ে গেছে। পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিডফোর্ড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ময়নাতদন্ত শেষে নিজ গ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা