kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

আজ বিরামপুর হানাদার মুক্ত দিবস

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আজ বিরামপুর হানাদার মুক্ত দিবস

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার রয়েছে গৌরবগাঁথা ইতিহাস। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে এইএলাকার মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ঘোড়াঘাট রেলগুমটি, কেটরা শালবাগান, ভেলারপাড় ব্রিজ, ডাক বাংলা ও পূর্বজগন্নাথপুর মামুনাবাদে বাঙ্কার বসিয়ে সতর্ক অবস্থায় থাকতেন।

পাকসেনারা ৪ ডিসেম্বর পাইলট স্কুলের সম্মুখে ও ঘাটপাড় ব্রিজে প্রচণ্ড শেলিং করে ভাইগড় গ্রাম দিয়ে তীরমনিতে ৪টি শেল নিক্ষেপ করে। দেশ ও স্বাধিকারের জন্য আমাদের দামাল ছেলেরা যৌবনের দূরন্ত সময়ে দেশ মাতৃকার টানে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে শত্রুদের কবল থেকে আমারদের বিরামপুরকে মুক্ত করেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধে ৭ নং সেক্টরের মেজর নাজমুল হুদা ও মেজর নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ভারতের কালিয়াগঞ্জ তরঙ্গপুর ক্যাম্পে দেশ ও মাতৃকার টানে ২৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। যুদ্ধে অত্র উপজেলায় ২০ জন বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পঙ্গু হন ২ জন এবং যুদ্ধে মারাত্মকভাবে আহত হন ১৩ জন মুক্তিযোদ্ধা।

উপজেলা শহরের গোহাটির কুয়া, ঘাটপাড় ব্রিজ, ২নং রাইচ মিলেরর কুয়া বধ্যভূমি হিসাবে পরিচিত। যুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা করে শহীদদের লাশ এইসব স্থানে পুঁতে রাখে। আজো নির্মিত হয়নি কোথাও স্মৃতিস্তম্ভ।

উল্লেখ্য, কেটরাহাটে লোমহর্ষক ও সম্মুখ যুদ্ধে ৭ জন পাকসেনা এবং ১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা মারা যাওয়ার পর ৬ ডিসেম্বর বিরামপুর শত্রুমুক্ত করে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন।

দিবসটি উপলক্ষে ৬ ডিসেম্বর শুক্রবার সকালে বিরামপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, র‌্যালি, আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা