kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

বাকৃবিতে কর্মশালায় বক্তারা

পুষ্টির চাহিদা মেটাবে জিংক সমৃদ্ধ চাল

বাকৃবি প্রতিনিধি   

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২২:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুষ্টির চাহিদা মেটাবে জিংক সমৃদ্ধ চাল

জিংকের অভাবে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়ে থাকে। জিংক ঘাটতিজনিত অপুষ্টি দূরীকরণে এই জাতের ধান চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমেই সম্ভব। জিংক সমৃদ্ধ চাল খেলে মানুষ খাটো হয় না। শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি ও মেধার বিকাশ ঘটে। ক্ষুধামন্দা দূর করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে বায়োর্ফটিফাইড জিঙ্ক সমৃদ্ধ ধানের ‘অভিযোজন এবং বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ড. মো. খায়রুল বাশার এসব কথা বলেন।  হারভেস্ট প্লাস ওই কর্মশালাটির আয়োজন করে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বাকৃবির রেজিস্টার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত হয়েছে পাঁচটি বায়োফটিফাইড জিংক ধানের জাত যথা-ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান৭২ এবং ব্রি ধান৮৪।

মানব শরীরে জিংকের গুরত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, জিংকের অভাবে বিশেষত শিশুদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। এ ছাড়াও জিংকের অভাবে ক্ষুধামন্দা, ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। বন্ধাত্ব কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জিংক গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কর্মশালায় বক্তারা আরো বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ধানের চালের ভাত মানুষের মাইক্রোনিউটিয়েন্টের চাহিদা পূরণ করে। বিশেষ করে শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত সহায়ক। দেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মাঝে ৪০ ভাগের বেশি বেটে হয়ে থাকে আর একই বয়সের প্রায় ৫০ ভাগ শিশু জিংক ঘাটতির শিকার। এসব সমস্যার সমাধান করতে জিঙ্ক সমৃদ্ধ ধানের বিকল্প নেই।

কর্মশালায় 'বাংলাদেশে বায়োফরটিফিকেশন এর মাধ্যমে অনুপুষ্টি দূরীকরণ' বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হারভেস্টপ্লাসের সিড সিস্টেম বিশেষজ্ঞ মো. মজিবর রহমান এবং বাজারজাতকরণ পরিকল্পনা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী সৈয়দ মো. আবু হানিফা।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আসাদ্ল্লুাহ, বাকৃবির রেজিস্টার মো সাইফুল ইসলাম, বাউরেসের পরিচালক আবু হাদী নুর আলী খান, বিনার পরিচালক (প্রশাসন) ড. মো. আজগর আলী সরকার। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা