kalerkantho

বুধবার । ২৯ জানুয়ারি ২০২০। ১৫ মাঘ ১৪২৬। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

কে হত্যা করল আনন্দকে, কেন?

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কে হত্যা করল আনন্দকে, কেন?

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরশহরে একটি স্টুডিওর মালিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই মালিকের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের নাম আনন্দ সরকার (২৩)। তিনি নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ থানার বটতলা গ্রামের সুনীল সরকারের ছেলে। 

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, প্রায় দুই বছর পূর্বে আনন্দ সরকার জগন্নাথপুর পৌরশহরে কাজের সন্ধানে আসে। বছরখানেক তিনি শহরের একটি স্টুডিও দোকানে কাজ করেন। প্রায় ৮/৯ মাস পূর্বে তিনি পৌরশহরের সিএ মার্কেট এলাকায় ভাড়া দোকান নিয়ে স্টুডিও দোকান পরিচালনা করে আসছিল। তিনি দোকানেই রাত্রিযাপন করতেন। গত ৩ দিন ধরে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় পরিবারের লোকজন তার কোনো সন্ধান না পেয়ে আজ আনন্দের মা ও বড় ভাই জগন্নাথপুর পৌরশহরে এসে স্থানীয় কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিনকে বিষয়টি বলেন। পরে দুপুরের দিকে কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে স্টুডিওর তালা ভেঙে ভেতর প্রবেশ করে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় নিচে আনন্দ সরকারের নিথর দেহ পড়ে আছে।

পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হলে সহকারী পুলিশ সুপার (জগন্নাথপুর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান চৌধুরীর নেতৃত্বে জগন্নাথপুর থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। ঘটনাস্থল থেকে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মাহমুদুল হাসান চৌধুরী জানান, গলায় কাপড় দিয়ে ফাঁস লাগানো ছিল। গলায় রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘরের বিছানায়ও প্রচুর রক্ত লেগে রয়েছে। তিনি বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড মনে হচ্ছে। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।

একটি সুত্র জানায়, গত সোমবার এনজিও সংস্থা আশার জগন্নাথপুর শাখা থেকে ৩০ হাজার টাকা ঋণ উত্তোলন করে আনন্দ সরকার। ধারণা করা হচ্ছে এই অর্থের জন্যই হয়তো তাকে হত্যা করা হয়েছে। 

নিহতের মা জোৎসা সরকার বলেন, গত তিন দিন ধরে ছেলের মোবাইল ফোন বন্ধ। দুশ্চিতায় হচ্ছিল। শেষে ছেলের খোঁজখবর নিতে আমি আমার বড় ছেলেকে নিয়ে জগন্নাথপুর আসি। ছেলের দোকান খোলার পর দেখতে পাই আমার ছেলের মৃতদেহ পড়ে আছে। কে আমার ছেলেটাকে হত্যা করল!

এনজিও সংস্থা আশার সহকারী ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন খান বলেন, স্টুডিওর জন্য মালামাল ক্রয়ের জন্য গত সোমবার (২ ডিসেম্বর) ৩০ হাজার টাকা ঋণ দিয়েছেন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা