kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

ফুলছড়ি মুক্ত দিবস পালিত

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফুলছড়ি মুক্ত দিবস পালিত

একাত্তরের ৪ ডিসেম্বর গাইবান্ধার ফুলছড়ি হানাদার মুক্ত হয়। এজন্য দিবসটি পালনে বুধবার স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল ধনারুহা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন, শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও দুঃস্থদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ।  

স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ৪ ডিসেম্বর তৎকালিন ফুলছড়ি থানা সদর মুক্ত করতে গিয়ে পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন ৫ মুক্তিযোদ্ধা। তাঁরা হলেন- আফজাল হোসেন, কবেজ আলী, যাহেদুর রহমান বাদল, ওসমান গণী ও আব্দুল সোবহান। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের লাশ সাঘাটা উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের খামার ধনারুহা প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়। পরবর্তীতে সগুনা নাম পরিবর্তন করে এলাকাটিকে মুক্তিনগর ইউনিয়ন নামকরন করা হয়। শহীদদের স্মরণে ধনারুহা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিতম্ভ স্থাপন করা হয়।

বুধবার ফুলছড়ি মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়া। সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, তৎকালিন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শামছুল আলম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মাহমুদুল হক শাহজাদা, ডেপুটি কমান্ডার ওয়াশিকার মো. ইকবাল মাজু, ডেপুটি কমান্ডার গৌতম চন্দ্র মোদক, সাঘাটা উপজেলা আওয়ামা লীগের সভাপতি নাজমুল হুদা দুদু, নাসিরুল আলম স্বপন প্রমুখ।
এছাড়া ধনারুহা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন, দোয়া মাহফিলের পাশপাশি দুঃস্থদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা