kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

তদন্ত প্রতিবেদন : উপস্থিত এক শিক্ষার্থীর ভুলেই এমনটা ঘটে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১২:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তদন্ত প্রতিবেদন : উপস্থিত এক শিক্ষার্থীর ভুলেই এমনটা ঘটে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) স্নাতক ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর ১২তম হওয়ার ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তদন্ত কমিটি। ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিত এক ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থী ভুল করে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর রোল পূরণ করায় এ ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে প্রশাসন কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটি এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করেন। 

এদিকে এ ঘটনায় জালিয়াতি না থাকায় স্থগিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের 'বি' ইউনিটের ভর্তিকার্যক্রম বুধবার থেকে পুনরায় চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

সম্মেলনে তদন্ত কমিটির সদস্যসচিব এমদাদুল হক বলেন, ১২ নভেম্বর প্রকাশিত 'বি' ইউনিটের প্রকাশিত ফলাফলে ১২তম হওয়া সাজ্জাতুল ইসলামের রোল ছিল ২০৬০৫০। যার ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল কোটবাড়ির টিচার্স ট্রেনিং কলেজে। কিন্তু ভুলক্রমে ওওমআর শিটে তাঁর এই রোল একই কেন্দ্রের ২০৬১৫০ রোলধারী মো. আলী মোস্তাকিন পূরণ করেন। মো. আলী মোস্তাকিন উত্তরপত্রে বৃত্ত ভরাটের '১' এর স্থলে '০' ভরাট করেন। ওই কক্ষের দায়িত্বে থাকা পরিদর্শকের অসর্তকতায় বিষয়টি ধরা পড়েনি। যার ফলে ২০৬১৫০ রোলধারী ভর্তীচ্ছু মো. আলী মোস্তাকিন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও তিনি রোল নম্বর ভুল লেখায় মেধাতালিকায় স্থান পাননি। যার ফলে ২০৬০৫০ রোলধারী সাজ্জাতুল ইসলাম ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও মেধাতালিকায় স্থান পায়। 

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক সৈয়দুর রহমান বলেন, দ্রুত ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করার জন্য আমাদের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী উপস্থিতি যাচাই না করেই আমরা ফলাফল প্রকাশ করি। তবে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করার সময় আমরা এ বিষয়টি বিশেষভাবে যাচাই করি। ভবিষ্যতে ফলাফল প্রকাশের আগে মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি যাচাই করার জন্য তদন্ত কমিটি সুপারিশ জানান। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আবু তাহের বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে এটা স্পষ্ট হলো যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় কোনো জালিয়াতি নেই। উপস্থিত এক শিক্ষার্থীর ভুলেই এমনটা ঘটেছে। 

গত ৮ ও ৯ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১২ নভেম্বর ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা