kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

কাল ফুলছড়ি হানাদার মুক্ত দিবস

গাইবান্ধা প্রতিনিধ   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২২:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাল ফুলছড়ি হানাদার মুক্ত দিবস

আগামীকাল বুধবার গাইবান্ধার ফুলছড়ি পাক হানাদার মুক্ত দিবস। এদিন ফুলছড়ি থানা সদর মুক্ত করতে গিয়ে ৫ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ৭১’র ৩ ডিসেম্বর গভীর রাতে মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা কমান্ডার সামছুল আলম, কমান্ডার নাজিম উদ্দিন, আব্দুল জলিল তোতা, এনামুল হকের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ৪ দলে বিভক্ত হয়ে ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দিয়ে ফুলছড়ি থানা সদরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয়।

৪ ডিসেম্বরের ভোরে গেরিলা কমান্ডার সামছুল আলমের দলটি প্রথমে ফুলছড়ি থানা আক্রমণ করে উপর্যুপরি গ্রেনেড হামলা ও ব্যাপক গোলাবর্ষণ করে। এ সময় অপর ৩টি দলের মুক্তিযোদ্ধারা সেখানকার পাক সেনাশিবিরের দিকে এগুতে থাকে। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফুলছড়ি থানার পুলিশ সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযোদ্ধারা থানার অস্ত্রাগারের সমুদয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।

এ সময় পাকহানাদারদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে ৫ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। তারা হলেন আফজাল হোসেন, কবেজ আলী, যাহেদুর রহমান বাদল, ওসমান গণী এবং আব্দুল সোবহান। পরদিন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মরদেহ উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী সাঘাটা থানার সগুনা ইউনিয়নের খামার ধনারুহা প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৫ বীর শহীদের সম্মানার্থে সগুনা ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করে মুক্তিনগর ইউনিয়ন রাখা হয়। এ উপলক্ষে বুধবার ধনারুহা শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল, আলোচনাসভা ও দুঃস্থদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করা হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা