kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

মাধবপুরে শিল্পদূষণের শিকার হাজার হাজার মানুষ

দুর্ভোগের শিকার মানুষদের পাশে বাপা

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২১:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাধবপুরে শিল্পদূষণের শিকার হাজার হাজার মানুষ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইান ইউনিয়নের এক্তিয়ারপুর, শ্রীমৎপুর, দাসপাড়া, গোপীনাথপুর, ছাতিয়াইন গ্রামসহ দশ-বারোটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ শিল্পবর্জ্যে দূষণের কবলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। অসহনীয় দুর্গন্ধ এবং জীবন-জীবিকা হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।

ওই এলাকার গ্রামবাসীর আহ্বানে বাংলাদেশ পরিবেশ অন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জের একটি প্রতিনিধিদল আজ মঙ্গলবার এক্তিয়ারপুর খালসহ তৎসংলগ্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে বাপা প্রতিনিধি দল দেখতে পান কারখানার বর্জ্য এক্তিয়ারপুর খালে নিক্ষেপের ফলে পানি কালো কুচকুচে হয়েছে। এ সময় খালের পানিতে মৃত মোরগ ভাসতে দেখা যায়।

এলাকাবাসী বাপা নেতৃবৃন্দকে জানান, বিষাক্ত এ পানি ব্যবহার করে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে চর্মরোগসহ নানান রোগে। আর হাঁস-মুরগি গবাদি পশু মারা যাচ্ছে হরহামেশা।

গ্রামবাসী জানান, মার লিমিটেড নামক কারখানার নিক্ষিপ্ত বর্জ্য মানুষের জীবন এবং জীবিকাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। মারাত্মক দুর্গন্ধে ঘরে থাকা যাচ্ছে না। এক্তিয়ারপুর খালটি দূষণের মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। ফলে কৃষিকাজসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্য খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, কোন কলকারখানার উৎসে বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে শিল্প বর্জ্য কারখানার অভ্যন্তরে কিংবা বাহিরে কোনো অবস্থাতেই ফেলতে পারে না। এটি দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি বিধানের পরিপন্থী। কিন্তু আমরা দেখছি কয়েক বছর ধরে এই অঞ্চলে গড়ে ওঠা কল কারখানাগুলো নদী-খাল-কৃষিজমিসহ যত্রতত্র শিল্প বর্জ্য নিক্ষেপ করে মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বাপা হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল, সদস্য শেখ আব্দুল্লাহ মোশাহিদ, ডা. আলী হাসান চৌধুরী পিন্টু, আমিনুল ইসলাম।

গ্রামবাসীদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুল কাইয়ুম, মো. ছফিল আহমেদ সোহেল, মো. হেলাল মিয়া, মো. শামসুদ্দিন তালুকদার, ডা. মো. রুকু মিয়া প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা