kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৩:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে চিকিৎসকসহ জনবলের অভাবে রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে আসা রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

জানা যায়, ২০১২ সালে প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এখানে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হয়। কিন্তু জনবলের অভাবে নতুন ভবনের কর্যক্রম চালানো সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় প্রশাসন এ বছরের শুরুতে ৩১ শয্যাবিশিষ্ট জনবল কাঠামো অনুযায়ী নতুন ৫০ শয্যার ভবনটি চালু করে। নতুন ভবনে একটি আধুনিক অস্ত্রোপচারকক্ষ আছে। রয়েছে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। চিকিৎসকের অভাবে এখানে অস্ত্রোপচার কার্যক্রম হচ্ছে না। প্রয়োজনীয় সিজারসহ নানা অপারেশন স্থানীয় ও জেলা শহরের ক্লিনিকই ভরসা।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃপক্ষ বলছেন, ৫০ শয্যা নয় এখানে ৩১ শয্যার কার্যক্রম চালানোর মতো যথেষ্ট লোকবল নেই। যেখানে ২২ জন চিকিৎসক থাকার কথা আছেন মাত্র পাঁচজন। গাইনি, সার্জারি, মেডিসিন, শিশু বিশেষঞ্জ ও অ্যানেসথেসিয়াসহ বিশেষঞ্জ পাঁচজন চিকিৎকের পদ শূন্য। উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার দুজনের মধ্যে আছেন একজন। ডা. সুরঞ্জন রবিবার থেকে পেনশনে চলে গেছেন। ওয়ার্ডবয় তিনজনের স্থলে আছেন একজন। ফার্মাসিস্ট থাকার কথা দুজন, এ দুটি পদই শূন্য। ল্যাব টেকনিশিয়ানের দুটি পদ শূন্য। আয়া পাঁচজনের স্থলে আছেন একজন। বয় পাঁচজনের স্থলে আছেন একজন। পরিচন্নতাকর্মীর ১০টি পদের মধ্যে আছেন মাত্র তিনজন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, হাসপাতালে রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। এখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে গড়ে ৩০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ভর্তি থাকেন ২০ থেকে ৩০ জন রোগী। ডাক্তারসহ নার্সদের চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়। হাসপাতালে ওষুধ নেই। দুটি অ্যাম্বুলেন্সের একটি অকেজো।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, চিকিৎসক ও জনবলসহ নানা সমস্যার কথা ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আগামী মাসের প্রথম দিকে কিছু ডাক্তার পাওয়া যেতে পারে। আশা করি অন্যান্য পদেও দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হবে। শূন্যপদগুলো পূরণ হলে সঠিকভাবে রোগীদের উন্নত সেবা দিতে পারব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা