kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

সাত বছর পর শরণখোলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ২০:০৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সাত বছর পর শরণখোলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন

দীর্ঘ সাত বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। আগামী ২৫ নভেম্বরের এই সম্মেলনকে ঘিরে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রধান দুটি পদের মধ্যে সভাপতির পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই। সেকারণে বর্তমান সভাপতিই ওই পদে বহাল থাকছেন।

এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদ পদে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় পদ প্রত্যাশীরা প্রকাশ্য ঘোষণা না দিলেও অনেকটা গোপনীয়তা রক্ষা করে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বেশ আগে থেকেই। পেছনের ভুলত্রুটি ভুলে কাউন্সিলরদের সঙ্গে তারা নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করছেন। 

অন্যদিকে বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির বাবুল লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যার ফলে এবারের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আসছে নতুন মুখ। উপজেলা কমিটির ৭১ জনসহ মোট ২০৮ জন কাউন্সিলর ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করবেন আগামী তিন বছরের জন্য দলের দ্বিতীয় প্রধান এ পদটি।

ওই পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির সহসভাপতি এম সাইফুল ইসলাম খোকন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদ রফিকুল ইসলাম কালাম, রায়েন্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান বাদল জমাদ্দার, খোন্তাকাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন, ধানসাগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিম আকন ও সদ্য যুবলীগ থেকে আসা আজমল হোসেন মুক্তা। 

সর্বশেষ শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালের ৪ এপ্রিল। যে কারণে দীর্ঘদিন পর সম্মেলন হওয়ায় ঝিমিয়ে পড়া দলীয় নেতাকর্মীরা সরব হয়ে উঠেছেন। রায়েন্দা সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠের সম্মেলন মঞ্চ থেকে শুরু করে উপজেলা সদরে সবখানে চলছে একটা সাজ সাজ অবস্থা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এবং উদ্বোধক হিসেবে বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. মোজাম্মেল হোসেন উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটি এবং জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের থাকার কথা রয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন আকনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা থাকবেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান টুকু। 

দলের জ্যেষ্ঠ নেতা এম সাইফুল ইসলাম খোকন বলেন, ৭৫ পরবর্তী দলের দুঃসময়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মূল পদের দায়িত্বে থেকে বহু ত্যাগের বিনিময়ে দলকে সুসংগঠিত করেছি। ১৯৯৩ সাল থেকে ২০১২ সালের সর্বশেষ কাউন্সিলের আগ পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে প্রায় ২০ বছর আমি দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। এখন দল যদি আমাকে প্রয়োজন মনে করে তাহলে আমাকে বিবেচনা করবে। পদ না পেলেও একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে আজীবন দলের জন্য কাজ করে যাবো।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন আকন বলেন, সভাপতি পদে এ পর্যন্ত অন্য কোনো প্রার্থী নেই। সাধারণ সম্পাদক অসুস্থ থাকায় ওই পদে ছয় জনের নাম শোনা যাচ্ছে। এখন কেন্দ্র ও জেলার নেতৃবৃন্দ যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেভাবেই সবকিছু হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা