kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

সড়ক সংস্কার নেই, পুরো টাকা ইউপি সদস্যের পেটে

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সড়ক সংস্কার নেই, পুরো টাকা ইউপি সদস্যের পেটে

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নে ইজিপি প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল উত্তোলন করেন বলে মো. আনু মিয়া নামে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন। যার অনুলিপি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) ১ম পর্যায়ের ৪০ দিনের আওতায় পালগ্রাম কনা মিয়ার বাড়ির পাশ হতে পালগ্রাম পাকা রাস্তা পর্যন্ত রাস্তা পুন:নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। কাজের প্রকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আনু মিয়া। গত বছরের ১ ডিসেম্বর কাজ শুরু হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তার পাশে একটি সাইনবোর্ড তৈরি করে প্রায় ২৫ হাজার টাকার লোক দেখানো কাজ করে বন্ধ করে দেন প্রকল্প সভাপতি। চলতি বছরের জানুয়ারী মাসে কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য মো. আনু মিয়া পুরো কাজ না করে বিলের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এলাকাবাসী কাজ করার জন্য অনেকবার তাগদা দিলেও তিনি তাদের কথায় কোনো কর্ণপাত করেননি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, রাস্তার প্রায় জায়গায় গর্ত রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, ইউপি সদস্য আনু মিয়া রাস্তার পাশের জমি থেকে যথসামান্য মাটি রাস্তার ওপর ভরাট করলেও পুরো রাস্তায় সঠিকভাবে কাজ করেননি। রাস্তাটি আগের মতোই আছে। 

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য মো. আনু মিয়া বলেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে আমার বিরুদ্ধে একটি মহল এসব ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। প্রকল্পের কাজটি আমি সঠিকভাবে সম্পন্ন করেছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শিমুল আলী জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের দুজন সরকারি কর্মকর্তা এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করেছেন। ইউপি সদস্যের সাথে অভিযোগকারীদের ব্যক্তিগত বিরোধ রয়েছে বলে জেনেছি। তবে শুনানির দিন কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন মূল বাদী উপস্থিত ছিলেন না।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা