kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

জিনোদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ

ব্যবহারিক পরীক্ষার কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যবহারিক পরীক্ষার কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে এএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় আড়াই শ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২২০ টাকা করে অতিরিক্ত ফি আদায় করা হয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে এলাকার অভিভাবকরা আজ বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। ওই আবেদনের অনুলিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরেও পাঠানো হয়েছে।

প্রাপ্ত ওই লিখিত আবেদনপত্রে অভিযোগ করা হয়, সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকার পরও ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক পরীক্ষার্থীর প্রত্যেকের কাছ থেকে নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্তি ১০০০ টাকা করে আদায় করা হয়। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গত ২ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আড়াই শ পরীক্ষার্থীর প্রত্যেকের কাছ থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষার কথা বলে অতিরিক্ত ২২০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এতে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

এ বিষয়ে এক অভিভাবক বলেন, স্কুলটির প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে এ ধরণের অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসলেও এর কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। তাই নিরুপায় হয়ে আজ আমরা ইউএনও স্যারের কাছে লিখিতভাবে প্রতিকার চেয়েছি।

জিনোদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক গোলাম সাদেকের সঙ্গে এ বিষয়ে বারবার কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজী হননি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বলেন, অতিরিক্ত নেওয়া টাকা আপাতত ফেরত দিতে প্রধান শিক্ষককে আজই নির্দেশ দিয়েছি। আগামী রবিবার স্কুলটি পরিদর্শনে গিয়ে বাকী ব্যবস্থা নেবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মাসুম কালের কণ্ঠকে বলেন, অভিযোগের সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা