kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

অর্থাভাবে চা শ্রমিকের সন্তান সুজনের নোবিপ্রবিতে ভর্তি অনিশ্চিত

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ০৮:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অর্থাভাবে চা শ্রমিকের সন্তান সুজনের নোবিপ্রবিতে ভর্তি অনিশ্চিত

টাকার অভাবে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার পরও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার আদিবাসী চা শ্রমিকের ছেলে মেধাবী ছাত্র সুজন রবিদাসের ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা যায়, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে ভালো ফলাফল করে এ বছর নোবিপ্রবিতে চান্স পেয়েছে  সুজন। সুজনের পিতা নারায়ণ রবিদাস পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁর মা শান্তি রবিদাস পেশায় গৃহিণী। তার ভাই একটি দোকানে কাজ করেন। যৌথভাবে তারা প্রতিমাসে প্রায় পাঁচ হাজার টাকা উপার্জন করে, যা দিয়ে তাদের ছয় সদস্যের পরিবারের সকল খরচ চালাতে হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য সুজনের পরিবারের প্রয়োজন ১৬ হাজার টাকা। এ বছর নোবিপ্রবিতে ভর্তির শেষ সময় ১ ডিসেম্বর। ভর্তি ফি ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য আবাসন, যাতায়াত ভাড়া, বই এবং অন্যান্য উপকরণের ব্যয় প্রতি মাসে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা  লাগবে। এত টাকা সুজনের পরিবারের পক্ষে দেওয়া অসম্ভব।

সুজন বলেন, নোবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষায় আমি উত্তীর্ণ হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে আমি বিসিএস ক্যাডার হতে চাই, মা-বাবার কষ্ট দূর করতে চাই। কিন্তু, আমার পরিবারের আর্থিক কষ্টের কারণে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এখনও  অনিশ্চিত।

সুজনের মা শান্তি রবিদাস বলেন, ' আমি আমার আত্মীয়স্বজন এবং প্রতিবেশীদের কয়েকজনের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেছি। তবে কারও কাছ থেকে এখনও কোনও সাড়া পাইনি।' উচ্চ শিক্ষার জন্য আর্থিক সহায়তা পেলে সুজন পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে এবং সুজনের স্বপ্ন পূরণ হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন তার পরিবার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা