kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

বশেমুরবিপ্রবি

সাবেক উপাচার্যের দুর্নীতির তদন্ত শেষে দুদক কর্মকর্তার ক্যাম্পাস ত্যাগ

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি   

২০ নভেম্বর, ২০১৯ ১৬:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাবেক উপাচার্যের দুর্নীতির তদন্ত শেষে দুদক কর্মকর্তার ক্যাম্পাস ত্যাগ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্য ড. খন্দকার নাসির উদ্দিনের দুর্নীতি ও অনিয়মের অনুসন্ধান শেষে ক্যাম্পাস ছেড়েছেন দুদক কর্মকর্তা পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যাহ। গতকাল ১৯ ও আজ ২০ নভেম্বর ক্যাম্পাসের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। এ সময় তিনি যৌন নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত সি এস ই বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক আক্কাস আলী, সাবেক ভিসির ভাতিজা ও সেকশন অফিসার থেকে সহকারী অধ্যাপক হয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার মাহমুদ পারভেজসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সাথে পৃথক পৃথক বৈঠক করেন। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আমলের বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত, ফাইলসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যবেক্ষণ করেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগ শোনেন তিনি। বৈঠক শেষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ক্লাস রুম, ল্যাবরুম পরিদর্শন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

এর আগে গত সোমবার পরিচালক ফানাফিল্যাহ স্বাক্ষরিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য মো. শাহজাহানকে পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় জানানো হয়, ১০৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প রিভাইজ করে ২৫৬ কোটি হয়েছে। উক্ত প্রকল্পে কি কি কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে তার তালিকা ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র, ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তিসংক্রান্ত তথ্যাবলী, সাবেক উপাচার্য নাসির উদ্দিন এর সময়কালে নিয়োগ ও আপগ্রেডেশান-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাবলী, খুলনা শিপ ইয়ার্ড ও নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডকে প্রদত্ত কার্যাদেশসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও কাগজপত্রাদি এবং সিএসই বিভাগের শিক্ষক মো. আক্কাস আলীর ব্যক্তিগত নথি বিষয়ে তথ্য দিতে বলা হয়।

গণমাধ্যমকর্মীরা অনুসন্ধানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অপরাগতা প্রকাশ করেন এবং জানান, গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলার অনুমতি নেই। ২০ নভেম্বর বিকেলে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত, ফাইলসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়েছেন। আমরা সকল ধরনের কাগজপত্র দিয়ে সহায়তা করার চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর শিক্ষার্থীদের ১২ দিনের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য খন্দকার নাসির উদ্দিন। এর আগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত কমিটি তাকে উপাচার্যের পদ থেকে প্রত্যাহারের সুপারিশ করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা