kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

দুর্নীতির টাকা ফেরত অনুষ্ঠান করে

লক্ষীপুর প্রতিনিধি   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১৯:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুর্নীতির টাকা ফেরত অনুষ্ঠান করে

বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে 'দালালি খরচ' বাবদ ৩৬ গ্রাহকের কাছে থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল অতিরিক্ত দেড় লাখ টাকা। তা মঙ্গলবার ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হস্তক্ষেপে। লক্ষীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়ে এজন্য বোর্ড সভা আয়োজন করা হয়। নিয়মতান্ত্রিকভাবে গ্রাহকদের সংযোগ প্রদান করা হবে বলে জানান কতৃপক্ষ।

সূত্র জানায়, একজন বিদ্যুৎ গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ নভেম্বর লক্ষীপুর সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নে তদন্ত কাজ করে দুদক। গ্রাহকদের তথ্য ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়ে তদন্ত করে কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন ৩৬ জন গ্রাহকের কাছে থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়েছে। পরে চট্টগ্রামের ঠিকাদার স্বপন বড়ুয়ার সহযোগিতায় শনাক্ত করা হয় দালাল শরীফকে। তার কাছে থেকে গ্রাহকের অতিরিক্ত ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৪ টাকা আদায় করা হয়। এরপর মঙ্গলবার দুপুরে প্রতি গ্রাহককে ৩ হাজার ৯৪৪ টাকা করে ফেরত দেওয়া হয় আনুষ্ঠানিকভাবে।

অভিযুক্ত শরীফ জানান, তিনিও বিদ্যুতের গ্রাহক। ঠিকাদারের সমন্বয়কারী কাদের তাকে দিয়ে টাকা উত্তোলন করিয়েছেন। বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে ইঞ্জিনিয়ারদের 'নাস্তা খরচ' দিতে হয় বলে তিনি দাবি করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজন করা হয় এক অনুষ্ঠানের। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আয়োজনে এ সভায় উপস্থিত ছিলেন দুদকের নোয়াখালী আঞ্চলিক সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শাহজাহান কবীর, সমিতি বোর্ডের সভাপতি মনিরুল ইসলাম প্রমূখ। সেখানেই গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেয়া হয়।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শাহজাহান কবীর বলেন, 'বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোন টাকা নেওয়া হয় না। দালালের কথায় বিশ্বাস না করে সরাসরি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন করতে হবে। হয়রানির শিকার ৩৬ গ্রাহককে বুধবার বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে।'

দুদক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, 'হটলাইনে এক গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আমরা ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। পরে ঠিকাদারের সহযোগিতায় অতিরিক্ত টাকা উদ্ধার করা হয়। টাকাগুলো গ্রাহকদের ফেরত দেওয়া হয়েছে।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা