kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

ইবিতে সাবেক প্রক্টরের কুশপুত্তলিকা দাহ করল ছাত্রলীগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১৬:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইবিতে সাবেক প্রক্টরের কুশপুত্তলিকা দাহ করল ছাত্রলীগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানকে শিবিরকর্মী দাবি করে তার কুশপত্তলিকা দাহ করেছে ছাত্রলীগকর্মীরা। মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের ভিতরে কুশপত্তলিকা দাহ করে তারা। এর আগে ড. মাহবুবর রহমানকে প্রশাসনিক সকল পদ থেকে অব্যাহতির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের ছাত্রজীবনে শিবিরসংশ্লিষ্টতা ছিল বলে দাবি করে আসছে ছাত্রলীগ। সোমবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনে মাহবুবর রহমানের শিবিরসংশ্লিষ্টতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বক্স হল শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন মাহবুবর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় শিবিরনিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র পাঠক ফোরমের সদস্য ছিলেন।

এদিকে এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল ও ড. মাহবুবর রহমানের কুশপত্তালিকা দাহ করে ছাত্রলীগ। দলীয় টেন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে কর্মীরা। মিছিলটি বিভিন্ন ভবন প্রদক্ষিণ শেষে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে ছাত্রলীগকর্মীরা ড. মাহবুবর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখানে ড. মাহবুবর রহমানের কুশপত্তলিকা দাহ করেন তারা। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে দেখা করেন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শিশির ইসলাম বাবু, তৌকির মাহফুজ মাসুদ, সাবেক ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান লালন, সহসম্পাদক ফয়সাল সিদ্দিকি আরাফাতসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় তারা ড. মাহবুবর রহমানের ছাত্রজীবনের শিবিরসংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সকল প্রকার প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানায়।

সাবেক ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, ড. মাহবুবর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় শিবির করতেন। এর আগেও আমি এই দাবি জানিয়েছিলাম। এর জন্য তিনি আমার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলাও করেছেন। এখন বিষয়টি প্রমাণিত। তাই আমরা তার সকল প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতির দাবি জানিয়েছি। 

সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, বরাবরের মতো বলছি তাদের অভিযোগের একটিও প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাব। আমি যেহেতু আইনের আশ্রয় নিয়েছি। সম্পূর্ণ বিষয়গুলো আদালতেই মীমাংসা হবে। মাদার বক্স হল শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যর বিষয়ে তিনি বলেন, তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অবান্তর বক্তব্য দিয়েছেন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা