kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

শেকৃবির হল থেকে গাঁজাসহ বহিরাগত আটক

শেকৃবি প্রতিনিধি   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০৩:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেকৃবির হল থেকে গাঁজাসহ বহিরাগত আটক

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) নবাব সিরাজউদ্দৌলা হল থেকে গাঁজাসহ এক যুবককে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে তাঁকে শেরেবাংলানগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। প্রশাসন জানায়, আটক যুবক শেকৃবির ৭৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম তুরানের আশ্রয়ে তাঁর রুমে অবস্থান করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির অনুসারী বলে পরিচিত তুরান মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। 

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইছাক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গোপন সূত্রে জানতে পারি, নবাব সিরাজউদ্দৌলা হলের ৭০৩ নম্বর রুমে মাদকদ্রব্য আছে। সেখানে মাদক বেচাকেনা হয়—এমন তথ্য আগেও পেয়েছি। আজ (সোমবার) দুপুর দেড়টায় ওই রুমে তল্লাশি চালিয়ে হাবিবুর রহমান (৩৪) নামের এক বহিরাগত যুবককে গাঁজাসহ আটক করা হয়।’ 

কালের কণ্ঠ’র জিজ্ঞাসাবাদে হাবিবুর জানান, তিনি তুরানের মামাতো ভাই। দুই মাস ধরে তিনি তুরানের রুমে থাকছেন। 

হলের বেশ কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থী ও নিরাপত্তাকর্মী কালের কণ্ঠকে জানান, তুরান ২০১৭ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় গাঁজা ও ইয়াবার কারবার করে আসছেন। আগে সরাসরি তুরান এসব বেচাকেনা করলেও মাস দেড়েক আগে কৌশল বদলান। এখন হাবিবুরের সহযোগিতায় এসব করছেন। তুরানসহ আরো কয়েকজন মাদকসেবীর মাদক সেবনকালের কিছু ছবি কালের কণ্ঠ’র হাতে পৌঁছেছে।

হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইছাক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসাইন জানিয়েছেন, অবৈধভাবে বহিরাগতকে কেন হলে রাখল—এ বিষয়ে তুরানকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। জবাব যৌক্তিক না হলে তাকে বহিষ্কারের জন্য সুপারিশ করা হবে।

অভিযোগের বিষয়ে তুরান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাংবাদিককে মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার রুম থেকে মামাতো ভাইকে আটকের কথা শুনেছি। তবে ব্যবসা নয়, এমনিতেই খাওয়ার জন্য আনছে হয়তো বা, তবে আমি এসবের সাথে যুক্ত নই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা