kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

রাউজান থানা হেফাজতে থাকা শিশুটি ফিরেছে মায়ের কাছে

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০২:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাউজান থানা হেফাজতে থাকা শিশুটি ফিরেছে মায়ের কাছে

অবশেষে রাউজান থানা হেফাজতে থাকা সুজন (৬) নামের শিশুটির পরিচয় পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় রাউজান থানার ওসি কেপায়েত উল্লাহ শিশু সুজনকে তার মা চম্পা খাতুনের কাছে হস্তান্তর করেন। 

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, সুজন হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের কেরামত আলীর মেয়ে চম্পা খাতুন ও একই এলাকার সিদ্দিক আলীর তৃতীয় সন্তান। সুজনের জন্মের পর চম্পা খাতুনের স্বামী সিদ্দিক আলী মারা যান। সাত মাস আগে সিলেট জেলার জজ মিয়ার সঙ্গে তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে হয়। এরপর নতুন স্বামীর সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁওয়ের রাঙ্গামাটিয়া এলাকার করিম ম্যানশনে ভাড়া বাসায় থাকছিলেন চম্পা। কিন্তু বিয়ের কয়েক মাস পর থেকে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। চম্পা খাতুন জানান, নিখোঁজের তিন-চার দিন আগে সুজনকে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন জজ মিয়া। 

গত শুক্রবার বিকেলে চান্দগাঁও থানাধীন বরিশাল বাজার এলাকা থেকে সুজন নিখোঁজ হয়। এর পর থেকে তার সত্বাবার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। ছেলের সন্ধানে এলাকায় মাইকিংও করেন চম্পা। না পেয়ে ছেলের সন্ধানে স্বামী জজ মিয়ার বাড়ি সিলেটে চলে যান তিনি। পরে সামাজিক মাধ্যমে গত রবিবার ছেলের সন্ধান পেয়ে সোমবার রাউজান থানায় এসে শিশুটিকে নিয়ে যান। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আনন্দে অশ্রুসিক্ত হন চম্পা খাতুন।

এদিকে চার দিন শিশুটিকে রাউজান থানার নারী পুলিশ সদস্যরা নিজেদের সঙ্গে রেখেছিলেন। তাঁরা সুজনকে কিনে দিয়েছিলেন নতুন জামাও। ওসি কেপায়েত উল্লাহ বলেন, ‘গত শুক্রবার সুজনকে নোয়াপাড়ার পথেরহাট বাজারের জান্নাত হোটেলে পায় স্থানীয়রা। পরে তারা তাকে নোয়াপাড়া পুলিশ ক্যাম্পে দিয়ে যায়।’ শিশুটিকে তার সত্বাবা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছিলেন কি না—এ ব্যাপারে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা