kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

লবণের গুজব জগন্নাথপুরেও

ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে দোকান বন্ধ, চলছে মাইকিং

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে দোকান বন্ধ, চলছে মাইকিং

লবণের দাম বেড়েছে এমন গুজবে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের সর্বত্রজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যার পর পরই জনসাধারণকে লবণের দাম বেড়েছে এমন গুজবে আগেই ভাগেই কিনতে দোকানগুলোতে উপচে পড়েন ক্রেতারা। 

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের জগন্নাথপুর বাজারে অধিকাংশ দোকানেই লবণের সংকট দেখা দিয়েছে। এদিকে জগন্নাথপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাজারগুলোতে লবণ কেনার হিড়িক পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

জনসচেতনতার জন্য রাত ১১টার দিকে গুজবে কান না দিতে জগন্নাথপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে মাইকিং করা হচ্ছে। 

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার পর পরই চারদিকেই ছড়িয়ে পড়ে পেঁয়াজের পর লবণের দাম বেড়ে গেছে। এমন খবর কোথায় শুনছেন, জানতে চাইলে জনসাধারণ জানান, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে লবণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে শুনা যাচ্ছে। তাই পেঁয়াজের দামের মতো লবণ বেশি দামে কিনার আগেই অনেকেই ৫ থেকে ১০ কেজি করে লবণ কিনে নিচ্ছেন বাড়িতে। চারদিকে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লেও স্থানীয় প্রশাসনের কাউকে মাঠে দেখা যায়নি।

এদিকে অনেক দোকানি ক্রেতার ঢল সামলাতে হিমশিম পোহাতে হয়। কেউ কেউ দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, হঠাৎ করে শুনি লবণের দাম বেড়ে গেছে। তাই বেশি দামে কেনার ভয়ে এক সঙ্গে ১০ কেজি লবণ কিনেছি। তবে ন্যায় দামেই কিনেছি। বাড়তি দাম রাখা হয়নি।

জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের জগন্নাথপুর বাজারের লবণ ব্যবসায়ী সুধন্য পাল জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই লবণ কেনার জন্য লোকজন দোকানে ভিড় করেন। কেউ বলছেন, আমাকে ১ কেজি লবণ দাও, আবার আরেকজন বলেন আমাকে ২০ কেজি লবণ দাও। সময়ের সঙ্গে ক্রেতার ভিড় বাড়তে থাকে। লোকজনদের সামলাতে কষ্টকর হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে দোকান বন্ধ করে দিয়েছি। তিনি জানান, লবণের দর বাড়েনি। অন্যদের মতো ৩০ টাকা করে প্রতিকেজি লবণ বিক্রি করছি।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, লবণের দাম বাড়েনি। এটি নিছক গুজব। তিনি জানান, মঙ্গলবার প্রশাসন মাঠে নামবে। 

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, জনসচেতনতার জন্য এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। গুজব ছড়ানোদের বিরুদ্ধে তদন্তক্রমে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা