kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভে পুলিশের বাধা-ধস্তাধস্তি, আটক ১

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ২১:৪৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভে পুলিশের বাধা-ধস্তাধস্তি, আটক ১

নারায়ণগঞ্জে জেলা ও মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধার পর ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ সেখান থেকে একজনকে আটক করেছে করেছে এবং নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে সরিয়ে দিয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের গলিতে পেয়াজের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করতে চাইলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কর্মসূচির শেষের দিকে মহানগর বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার চৌধুরী ইমানকে আটক করে সদর থানা পুলিশ।

এর আগে বিকেলে প্রথমে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশের উদ্দেশ্যে প্রেস ক্লাবের গলিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে তাদের সাথে যোগ দেয় মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নেতৃত্বাধীন একটি মিছিল। পরে পুলিশ দুটি মিছিলকে দুদিকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং সমাবেশের ব্যানার কেড়ে নেয়।

সবার শেষে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামালের নেতৃত্বে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে আরেকটি মিছিল সমাবেশস্থলে আসতে গেলে সেখানে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে বক্তব্য শুরু করেন কামাল। এ সময় সেখান থেকে তাদেরকে সরিয়ে দিতে চাইলে পুলিশের সাথে নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে পুলিশ নেতাকর্মীদের ধাওয়া দিয়ে সেখান থেকে ইমানকে আটক করে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদ জানান, হাজারো কোটি মানুষের দাবি নিয়ে আমরা জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে আজকে রাস্তায় নেমেছিলাম। এটি সরকার পতনের কোন কর্মসূচি নয়, আজ দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটছে। জনদাবির কর্মসূচি নিয়ে আড়ৎদার মজুতদার কালোবাজারিদের হাত থেকে মুক্তির জন্য সরকারের কাছে দাবি তুলতে এসেছিলাম কিন্তু সরকারের পেটোয়া বাহিনী সেটিও আমাদের পালন করতে দেয়নি। আমরা সকল রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে জনগণের দল হিসেবে জনদাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথে থাকবো।

মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামাল জানান, আমি আমার সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম পেয়াজের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কিছু কথা বলতে সাংবাদিকদের সাথে। সেখান থেকে পুলিশ আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের এক নেতাকে ধরে নিয়ে গেছে। আমরা দ্রুত তার মুক্তি দাবি করছি।

মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপু জানান, কথা বলার অধিকার নেই, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে আমরা প্রতিবাদ জানাতে এসেও এভাবে গ্রেপ্তার হতে হয়, পুলিশের ধাওয়া খেতে হয়। পুলিশ দিয়ে এভাবে একটি দেশ একটি রাষ্ট্র চলতে পারে না।

সদর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুল হাই জানান, জননিরাপত্তা বিঘ্ন করার চেষ্টার প্রস্তুতির সময় আমরা একজনকে আটক করেছি এবং জনসাধারণের চলাচলের পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে সমাবেশের চেষ্টা করায় তাদেরকে আমরা সরিয়ে দিয়েছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা