kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

অপহৃত পিইসি পরীক্ষার্থী উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ২১:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অপহৃত পিইসি পরীক্ষার্থী উদ্ধার

গাজীপুরের অপহৃত শিশু মোস্তাকিম আলম জয়কে (১১) উদ্ধার করা হয়েছে কক্সবাজারে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চার অপহরনকারীকে। পিইসি পরীক্ষার্থী জয়কে অপহরণের পর দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল। কক্সবাজারের ট্যুরিস্ট পুলিশ টিম সোমবার শিশুকে উদ্ধার করেছে সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্ট থেকে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের এসপি মো. জিল্লুর রহমান জানান, শিশু জয়ের পিতা গাজীপুরের ব্যবসায়ী। পিতার দোকানের কর্মচারী মোহাম্মদ শান্ত এ শিশুকে অপহরণে নেতৃত্ব দেয়। ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা শেষে জয় বাসার দিকে রওনা হয়েছিল। এ সময় শান্ত সহযোগীদের নিয়ে কৌশলে জয়কে অপহরণ করে। একটি মাইক্রোবাসে করে জয়কে কক্সবাজার নিয়ে আসে অপহরণকারীরা।

সূত্র জানায়, গাজীপুর কোনাবাড়িস্থ আমবাগ ইউনিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেনীর শিক্ষার্থী মোস্তাকিম আলম জয়। পিইসি পরীক্ষা শুরুর দিনেই তাকে অপহরণ করা হয়। জয়ের বাবা জাহাঙ্গীর আলম একজন ব্যবসায়ী। তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার গনেরগাঁও গ্রামে। অপহরণকারীরা জয়ের বাবার কাছে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর সন্তানকে খোঁজাখুঁজির পাশাপাশি কোনাবাড়ী থানায় অভিযোগ দাখিল করেন।
শিশু অপহরণের এ ঘটনা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে থাকে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ। ২৪ ঘন্টা পেরুবার আগেই সফলতা আসে। কোনাবাড়ী থেকে তথ্য পেয়ে কক্সবাজার পুলিশ ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি দল অনুসন্ধান করতে থাকে। সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে পাওয়া যায় অপহৃত জয়কে। এ সময় তার সাথে থাকা ৪ জনকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে ময়মনসিংহ নান্দাইলের মোহাম্মদ বাদলের পুত্র মোহাম্মদ শান্ত, ত্রিশাল এলাকার সাইফুল ইসলামের পুত্র মোহাম্মদ লিটন ও সাইফুল শেখের পুত্র হৃদয় শেখ। এছাড়া গ্রেপ্তার করা হয়েছে মাইক্রোবাস চালক মিজানুর রহমান মন্ডলকে। তার বাড়ি লালমনিরহাট জেলায়। মূলত দোকান কর্মচারী শান্ত অপহরণের পরিকল্পনা করে। অন্যরা মুক্তিপণ আদায়ের লোভে তাকে সহযোগিতা করে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা