kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

নীলফামারীতে বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা-সেবার উদ্বোধন

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ১৯:৫৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নীলফামারীতে বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা-সেবার উদ্বোধন

নীলফামারীতে দেশের প্রথম মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান। পরে তিনি জেলা শহরের কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্ত্বরে বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা কর্নারের উদ্বোধন করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমনা বলেন, আমাদের মোট জনসংখ্যার এক চর্তুথাংশ কিশোর-কিশোরী। এদের শিক্ষা, জীবন দক্ষতা ও স্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করছে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ। নীলফামারী জেলা প্রশাসন মাধ্যমিক পর্যায়ের কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা কর্মসূচির যে উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা ব্যতিক্রম ও প্রশংসনীয় এবং সারাদেশের জন্য মডেল। 

তিনি বলেন, নীলফামারী জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে গোটা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এই কর্মসূচি সারা দেশে পরিচালিত হলে কিশোর-কিশোরীরা মানসিক প্রশান্তিতে থাকবে।

শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, মহাপরিচালক (গভর্নেন্স ইনোভেশন) মো. আশরাফ উদ্দিন, নীলফামারী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, সিভিল সার্জন ডা. রণজিৎ কুমার বর্মন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রশীদ মঞ্জু, ডিমলা উপজেলার আবিউন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিরা আক্তার, কিশোরগঞ্জ বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ওয়ালিকা নাজনিন উর্মি, উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিওর সহকারী প্রকল্প ব্যবস্থাপক পর্শিয়া রহমান প্রমুখ।

কর্মসূচির উদ্যোক্তা জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবার অভাবে পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে জেলার সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মসূচিটি চালু করা হয়। বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে স্থানীয় সরকার বিভাগ, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এবং সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন এনজিও। 

এসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক কোটি ৩২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা অনুদান সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জেলার ছয় উপজেলার ৬০টি ইউনিয়নে একটি করে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা কর্নার স্থাপন করা হবে। পর্যাক্রমে জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

উল্লেখ্য, জেলায় ৪৬০টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরমধ্যে মাধ্যমিক ২৯০টি, মাদরাসা ১২৫টি এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৪৫টি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা