kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

সুপারির ঐতিহ্য ধরে রেখেছে বেতাগী

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ১৬:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুপারির ঐতিহ্য ধরে রেখেছে বেতাগী

পান, সুপারিতে উপকূলীয় জনপদ বরগুনার বেতাগী তার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। সক্ষম হয়েছে অনেক মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলতে। কালের বিবর্তনে ধান-পানের উৎপাদন হ্রাস পেলেও সুপারি লাভজনক কৃষিপণ্য হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।

এ উপজেলায় বছরে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সুপারি কেনা-বেচা হয়। দেড়লাখ মানুষ অধ্যুষিত বেতাগী উপজেলায় কমবেশি সুপারি চাষাবাদ হয়। সুপারি লাভজনক হওয়ায় অনেকেই এখন সুপারি চাষে ঝুঁকে পড়েছে। কখনো কখনো সুপারির দাম পরে যাওয়ায় ব্যবসা বদলের ঘটনাও ঘটেছে। এ ছাড়া এ উপকূলীয় জনপদের বিভিন্ন সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিভিন্ন সময় সুপারি গাছ ভেঙে যাচ্ছে। ফলে সুপারি চাষে কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। 

স্থানীয়রা জানায়, আপদকালীন সময় সুপারি বিক্রি করে সংসারের চাহিদা মেটানো, বাড়ি-ঘড় নির্মাণ, জায়গা-জমি ক্রয়, ছেলে-মেয়ের বিয়েসহ নানা সংকটে সুপারি আর্থিকভাবে অবদান রাখছে। দক্ষিণ উপকূলের অন্যতম সুপারি উৎপাদনকারী জনপদ হিসেবে শুধু উৎপাদন নয়, ব্যবসায়িকভাবেও বেতাগী সুপারির একটি প্রসিদ্ধ বাজার হিসেবে পরিচিত।

সুপারি চাষী ও ব্যবসায়ী কৃষ্ণকান্ত ঘরামী জানান, সুপারির একটি বড় অংশ এখানে উৎপাদন হয়। এখানে গ্রামাঞ্চলের এমন কোনো বাড়ি নেই যাদের সুপারির বাগান নেই।

উপজেলার ১টি পৌরসভা, বিবিচিনি, বেতাগী, হোসনাবাদ, মোকামিয়া, বুড়ামজুমদার, কাজিরাবাদ ও সরিষামুড়ি এ ৭টি ইউনিয়নের প্রায় ৩৫ হাজার পরিবারের ২০০ হেক্টর জমিতে সুপারির বাগান রয়েছে। এসব বাগানে বছরে কয়েক হাজার টন সুপারি উৎপাদিত হয়। যা দেশের মানুষের চাহিদা মেটায়। এখানে কাঁচা-পাকা ও প্রায় সারা বছরই শুকনো সুপারি কেনা বেচা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, এটি সুপারি চাষের এক সম্ভাবনাময় স্থান কিন্তু অপরিকল্পিত স্লুইজ গেট নির্মাণ, বাগান ও মোবাইল টাওয়ার কারণে সুপারি চাষ ব্যাহত হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা