kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

১৬ কিলোমিটারে ৯৬ বিপজ্জনক বাঁক

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ১২:৩৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



১৬ কিলোমিটারে ৯৬ বিপজ্জনক বাঁক

বগুড়ার ধুনট উপজেলার হুকুম আলী-মথুরাপুর-চান্দাইকোনা প্রায় ১৬ কিলোমিটার পাকা সড়কে কমপক্ষে ৯৬টি বিপজ্জনক বাঁক রয়েছে। এসব বাঁকের কারণে এই সড়কে মাঝেমধ্যে ঘটে দুর্ঘটনা। এ ছাড়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙাচোরা থাকায় ও গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলে সময় লাগে বেশি।

সরেজমিন দেখা যায়, ধুনট শহর থেকে মথুরাপুর বাজার হয়ে শেরপুরের চান্দাইকোনা মহাসড়ক পর্যন্ত রাস্তার দূরত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে কয়েক দফায় সড়কটি পাকা করা হয়েছে। এতে এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। কিন্তু সড়কের একটু পর পরই রয়েছে বিপজ্জনক বাঁক। এর মধ্যে ধুনট থেকে মথুরাপুর বাজার পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়কে ৪১টি এবং মথুরাপুর বাজার থেকে চান্দাইকোনা মহাসড়ক পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কে রয়েছে ৫৫টি বাঁক। 

এসব বাঁকের কারণে সড়কের বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহন দেখা যায় না। ফলে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। এ ছাড়া সড়কঘেঁষে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বসতিঘর ও গাছপালা থাকায় দুর্ঘটনা বেশি ঘটে বলে স্থানীয় লোকজন জানান। সড়কের কয়েকটি বিপজ্জনক বাঁকে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। যানবাহন চালাতে হচ্ছে খুব সতর্কতার সঙ্গে। এই সড়কে সব চেয়ে বেশি দুর্ঘটনার শিকার হয় ভটভটি। 

অটোরিকশাচালক রুবেল হোসেন বলেন, অনেক মানুষ স্বল্প সময়ে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে যাতায়াতের জন্য এই রাস্তাটি ব্যবহার করেন। কিন্তু এতে দূরত্ব কমলেও একটু পরপর বাঁকের কারণে সময় বেশি লেগে যায়। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ভেঁপু না বাজালে বিপরীত দিক থেকে কোনো গাড়ি আসছে কি-না, তা বোঝার উপায় থাকে না। এতে করে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়।

ভটভটিচালক বেলাল হোসেন জানান, কম প্রস্থের এই সড়কে অতিরিক্ত বাঁক থাকায় দ্রুত যানবহন চালানো যায় না। এ জন্য যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় বেশি লাগে। এতে যাত্রীরা বিরক্ত হন। এ কারণে অনেক সময় যানবহনের গতি বাড়ানোর ফলে দুর্ঘটনা ঘটে। 

উপজেলা প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলার বিভিন্ন পাকা সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক রয়েছে। বাঁক চিহ্নিত করে রাস্তা সংস্কার ও বাঁক যতটুকু সম্ভব ঠিক করা যায় কি-না, এ ব্যাপারে একটি প্রস্তাবনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা বলেন, এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত কি করা যায়, সে ব্যাপারেও সমাধানের চেষ্টা করব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা