kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

চবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, আহত ২

চট্টগ্রাম বিবিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, আহত ২

কনসার্টে গায়ে ধাক্কা লাগার জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রলীগের এক কর্মী ও সাধারণ এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

রবিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ক্যাম্পাসের শহীদ আবদুর রব হলের মাঠে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। জড়িত গ্রুপ দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক সংগঠন সিএফসি গ্রুপ ও সিক্সটি নাইন গ্রুপ। সিএফসি গ্রুপের নেতাকর্মীরা চবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল ও সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতাকর্মীরা সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপুর অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

জানা গেছে, বিকেলে ক্যাম্পাসের শহীদ আবদুর রব হলের মাঠে ‘স্কিটো কার্নিভাল’ নামে একটি কনসার্ট শুরু হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে মঞ্চের সামনে দাঁড়ানো উক্ত দুই গ্রুপের কয়েকজন নেতাকর্মী গায়ে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি শুরু করে। এক পর্যায়ে হাতাহাতি হলে অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। পরে সিএফসির নেতা-কর্মীরা শহীদ আবদুর রব হল থেকে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সিক্সটি নাইনকে ধাওয়া দেয়।

এ সময় ঘটনাস্থলে সিক্সটি নাইনের এক কর্মী আহত হন। শাখা ছাত্রলীগর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘটনাস্থলে ছিলেন। পরে তারা বিষয়টি সমাধান করলে অনুষ্ঠান আবার শুরু হয়। পরে রাত ৮টার দিকে অনুষ্ঠান শেষ হলে ক্যাম্পাসের জিরো পয়েন্ট এলাকায় আবার ঝামেলার সৃষ্টি হয়। এ সময় সিক্সটি নাইনের কর্মীরা সাধারণ এক শিক্ষার্থীকে সিএফসির কর্মী মনে করে মারধর করে।

আহতরা হলেন- হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ভাষ্কর চক্রবর্তী ও বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নিয়াজ আরেফিন। ভাষ্কর সিক্সটি নাইনের কর্মী। নিয়াজ আরেফিনকে সিএফসি কর্মী সন্দেহে মারধর করে সিক্সটি নাইনের কর্মীরা। তবে নিয়াজ আরেফিন কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত না বলে জানায়, তার সহপাঠীরা। তাদের দুজনকেই বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মোস্তফা কামাল হোসেন বলেন, ‘দুইজন আঘাতপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী এসেছিল। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, ‘জুনিয়রদের মধ্যে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমরা বসে বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি। পরে আবার কোন ঝামেলা হলে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, একটি ভুল বুঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে একটি ঝামেলা সৃষ্টি হয়েছিল। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। শাটল ট্রেন ক্যাম্পাসে আসার পরও রাত ১০টা পর্যন্ত জিরো পয়েন্টে ছিলাম। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। আহত দুজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা