kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

সাক্ষীর পা কেটে ফেলা মামালায় তিনজনের যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ১৬:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাক্ষীর পা কেটে ফেলা মামালায় তিনজনের যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে হাছেন আলী প্রধান (হাছু) হত্যা মামলার সাক্ষী মনির উদ্দিনের পা কেটে ফেলার মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তা ছাড়া দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মামলার অন্য দুই আসামিকে তিন বছর ও এক বছরের কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন অঙ্কের জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া মামলার অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১২টায় কিশোরগঞ্জের ১ নম্বর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহিম মামলার সাতজন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন। 

২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো কুলিয়ারচর উপজেলার ভাটিজগৎচর গ্রামের তাজুল ইসলাম (কসাই), গোলাপ মিয়া ও বিল্লাল মিয়া। এ ছাড়া একই গ্রামের আবু কালামকে তিন বছরের কারাদণ্ডসহ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং শামছু মিয়াকে এক বছরের কারাদণ্ডসহ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ভাটিজগৎচর গ্রামে ২০০৫ সালের ১২ ডিসেম্বর সকালে হাছেন আলী প্রধান (হাছু) হত্যা মামলার ১ নম্বর স্বাক্ষী মনির উদ্দিনকে জাফরাবাদ মোড়ের একটি চায়ের দোকান থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায় আসামিরা। পরে একটি আসামিরা হাত পা বেঁধে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে ডান পা কেটে ফেলে। 

ঘটনার প্রায় দুই মাস পর ২০০৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আহত মনির উদ্দিনের বড় ভাই মো. সিরাজ মিয়া বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে কুলিয়ারচর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শাহ আজিজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ ১৩ বছর মামলাটি আদালতে চলমান থাকার পর বাদী ও বিবাদী পক্ষের উপস্থিতিতে রবিবার সকালে কিশোরগঞ্জের ১ নম্বর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় প্রদান করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা