kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

ট্রেন দুর্ঘটনায় মা-বাবা হারানো সেই তিন ভাই কাঁদলেন, কাঁদালেন!

হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি   

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০৩:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ট্রেন দুর্ঘটনায় মা-বাবা হারানো সেই তিন ভাই কাঁদলেন, কাঁদালেন!

ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের রাজারগাঁওয়ের নিহত দম্পত্তির সন্তানরা স্থানীয় সাংসদকে দেখে এভাবেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। ছবিটি শনিবার তোলা হয়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাক্ষণবাড়িয়া ট্রেন দুর্ঘটনায় চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের পশ্চিম রাজারগাঁও বেপারি বাড়ির মুজিবুর রহমান আর জেসমিন বেগমের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। সেই দম্পত্তির রয়েছে তিন ছেলে। শনিবার স্থানীয় সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি নির্বাচনী এলাকা হাজীগঞ্জে এসে খবর পাঠান সেই নিহত দম্পত্তির সন্তানদের সঙ্গে দেখা করবেন।

সেই আলোকে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবদুল হাদিসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা সেই তিন ভাইকে হাজীগঞ্জের বলাখাল জেএন হাই স্কুল এন্ড কারিগরি কলেজের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানস্থলে নিয়ে আসেন এমপি‘র কাছে। মঞ্চে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কিছু পরেই ঘোষণা আসে মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত দম্পত্তির সন্তানদেরকে সহায়তা প্রদান করবেন।

মঞ্চে উঠেই সেই তিন ভাই মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমকে জড়িয়ে ধরে অঝোর ধারায় কাঁদতে শুরু করলেন। তিন ভাইয়ের কান্না দেখে এই সাংসদ নিজে আর কান্না ধরে রাখতে পারলেন না। এ সময় উপস্থিত প্রায় অধিকাংশদের চোখে পানি চলে আসে এমন এক মর্মান্তিক ঘটনায়। এক পর্যায়ে নিজেই খেই হারিয়ে ফেলেন মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি।

তিন ভাইয়ের কান্নায় নিজে আবেগ আপ্লুত হয়ে সভাটি নিজের শেষ করার ঘোষণা দেন এমপি নিজে। এ সময় এই সাংসদ বলেন যেহেতু এটি একটি শোকের বিষয় তাই আজ আর এখানে কোনো বক্তব্য দেওয়া ঠিক হবে না আর আমি পরবর্তী সফরে রাজারগাঁও নিহত দম্পত্তির কবর জিয়ারতে যাব। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা