kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

নিয়মবহির্ভূত স্পিড ব্রেকার, ভোগান্তিতে রোগী ও পথচারীরা

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি    

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ১৫:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিয়মবহির্ভূত স্পিড ব্রেকার, ভোগান্তিতে রোগী ও পথচারীরা

যশোরের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র সড়কে অনুমোদনহীন ও নিয়মবহির্ভূত স্পিড ব্রেকার তৈরি করায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছে রোগী ও পথচারীরা। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে রাতের আঁধারে কে বা কারা দুইটি স্পিড ব্রেকার তৈরি করেছে, তা বলতে পারেনি এলাকাবাসী।

সড়ক ও জনপদ বিভাগ বলছে অনুমতি না নিয়ে এ স্পিড ব্রেকার তৈরি করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

উপজেলার নূরবাগ এলাকায় যশোর-খুলনা মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত সড়ক ও জনপথ বিভাগের এ সড়কটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হয়ে পায়রা বাজারে যাতায়াতের একমাত্র পথ। হাজার হাজার মানুষ ও অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন যানবাহন চালাচল করে এ সড়কটিতে। হঠাৎ স্পিড ব্রেকার তৈরি হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী ও পথচারীরা।

আজ শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির বুইকারা নামক এলাকায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকের সামনে ইট, বালু ও সিমেন্ট দিয়ে দুইটি বড় স্পিড ব্রেকার তৈরি করা হয়েছে। কে কখন বা কারা তৈরি করেছে তা এলাকাবাসী বা ওই ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বলতে পারেনি।

স্থানীয় এক অ্যাম্বুলেন্স চালক শামীম আহম্মেদ বলেন, মুমূর্ষু রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানোর সময় দুইটি স্পিড ব্রেকার সমস্যা সৃষ্টি করছে। নিয়মবহির্ভূত স্পিড ব্রেকার তৈরি করা হয়েছে, ফলে আমার গাড়ির নিচের অংশ স্পিড ব্রেকারের সঙ্গে ঘঁষা খেয়ে মূল্যবান যন্ত্রাংশের ক্ষতি হচ্ছে। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অনুমোদনহীন  স্পিড ব্রেকারের না হলেই ভালো হয়।

এলাকাবাসী ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, স্বাধীনতার পর থেকে হাসপাতাল সড়কের কোন স্থানে স্পিড ব্রেকার দেওয়া হয়নি বা ছিল না। হঠাৎ করে স্পিড ব্রেকার দেওয়ায় ভোগান্তীতে পড়তে হচ্ছে সকলকে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে তৈরি স্পিড ব্রেকার অপসারণসহ নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সরদার কালের কণ্ঠকে বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সড়কটি তাঁর (সড়ক ও জনপথ) দপ্তরের অধিনে। তিনি বগুড়া জেলায় সরকারি একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রয়েছেন। তাঁর দপ্তর থেকে স্পিড ব্রেকার তৈরির কোনও অনুমোদন বা অনুমতি নেওয়া হয়নি। ওই স্পিড ব্রেকার দুইটি সম্পূর্ণ অবৈধ। প্রশিক্ষণ থেকে ফিরে স্পিড ব্রেকার দুটি অপসারণ করাসহ নির্মাণকারীদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা