kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

কেজি ২২০, 'বিক্রিই আর করব না'

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১৬:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কেজি ২২০, 'বিক্রিই আর করব না'

পেঁয়াজের মূল্য ২০ টাকা থেকে ৩/৪ মাসের মাথা বেড়ে ২২০ টাকা হয়েছে চরফ্যাশন শহর বাজারে। গত বুধবার পেঁয়াজের কেজি ১৬০ টাকা হলেও একদিনের মাথা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ টাকা। এতে একদিনের মাথা বাড়ছে ৬০ টাকা। পেঁয়াজ কিনতে এসে যেমন খুচরা ক্রেতা তেমনি খুচরা বিক্রেতারাও জিহ্বা কামড় দিয়ে মাথা হাত দেয়। তবুও ক্রেতাদের চাহিদাতে পেঁয়াজ ক্রয় করতে হচ্ছে খুঁচরা বিক্রেতাদের। এর পরও মনিটরিং না থাকা এক বাজারের একাধিক দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছে।

চক রোড জেরিন স্টোর পেঁয়াজ বিক্রি করছে ২২০ টাকা, একই রোডে বললতা স্টোরের বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা, জ্যাকব এভিনিউতে বিক্রি করছে ২০০ টাকা। এবার চলে গেলাম আড়তদারদের কাছে। আড়তদার কবির স্টোরের মালিক কবির বলেন, আজকের ১৪ নভেম্বর ঢাকার কিনাই ২০০ টাকা। ৬০ কেজির বস্তার প্রায় ১৫ কেজিই পচা থাকে। বস্তা দেড় থেকে ২ কেজি কম থাকে। এর পরও ২১০ টাকা দরে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে গেলে অনেক গাল-মন্দ শুনতে হয়। বিভিন্ন মন্তব্য করে। এ জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি এরপর আর পেঁয়াজই ক্রয় করব না বিক্রয়ও করব না। 

গ্রাম-গঞ্জের বাজারগুলোতে এখন পেঁয়াজ বিক্রি করাই বন্ধ করে দিয়েছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা ১ কেজির পেঁয়াজের জন্য প্রায় ১০০ টাকা ভাড়া দিয়ে শহরের এসে পেঁয়াজ ক্রয় করছে। এমন একজন ক্রেতা রহিম আলী বলেন, ভাই মহিলা পেঁয়াজ ছাড়া যেন রান্নাই করতে পারে না। তাই অনেক দাম হলে অনেক টাকা ভাড়া দিয়ে আধা কেজি পেঁয়াজ ১০৫ টাকা দিয়ে কিনছি।

চরফ্যাশন বাজার মুদি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাঈনুল ইসলাম মনির বলেন, চরফ্যাশনের ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আটকে রেখে জোর-জুলুমের ব্যবসা করেন ন। ঢাকার কেনাই বেশি। তাই চাহিদা থাকা পেঁয়াজ ক্রয় করে বিক্রি করছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা