kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

জঙ্গি সম্পৃক্ত লোকজনের নিকট মসজিদ-মাদরাসা হস্তান্তরের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০৪:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জঙ্গি সম্পৃক্ত লোকজনের নিকট মসজিদ-মাদরাসা হস্তান্তরের অভিযোগ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের একটি মসজিদ ও মাদরাসা গোপনে সন্দেহজনক জঙ্গি সম্পৃত্ত ব্যক্তিদের হাতে হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছে। মসজিদ পরিচালনা কমিটি গ্রামবাসীর অগোচরে এমন কাজটি করেছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। যাদের মসজিদটি হস্তান্তর করা হয়েছে সেইসব ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জঙ্গি সম্পৃত্ততার অভিযোগ এনেছেন গ্রামবাসী ও মসজিদের জমির দাতাগণ।

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের একটি জঙ্গলাকীর্ণ পাহাড়ী জনপদের একটি প্রাচীন মসজিদ ও মাদরাসা গোপনে ‘জঙ্গিগোষ্ঠীর’ কাছে হস্তান্তর করার ঘটনায় এলাকায় চলছে তোলপাড়। সন্দেহভাজন লোকজন নিজেদের মতবাদ চর্চার একটি মিলন ক্ষেত্র তৈরির কাজ করার উদ্দেশ্যে মসজিদ ও মাদরাসাটি নিজেদের আয়ত্তে আনার কাজ করছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

টেকনাফের হোয়াইক্যং বাজারের পশ্চিমে পাহাড়ী এলাকা লাতুরীখোলা নামক গ্রামের পশ্চিমপাড়া বায়তুন নূর জামে মসজিদ ও আল মাদারাসাতুল ইসলামিয়া দারুল কোরআন ওদারুল আইতাম ফোরকানিয়া মাদরাসাটি নিয়েই এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মাদরাসা ও মসজিদটি যারা নিয়েছেন তাদের প্রধান ব্যক্তিরা মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বলে জানা গেছে।

আবদুল্লাহ সুলতান নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। তিনি স্থানীয় একই গ্রামের হাফেজ বক্তার আহমদের সন্তান বলে জানা গেছে। গ্রামের মৃত নজির আহমদের ছেলে সিরাজুল হক, মৃত বদিউর রহমানের পুত্র আলী আহমদ, মৃত ইলিয়াছের ছেলে আবদুল মালেক, হাজী উলা মিয়ার ছেলে নুরুজ্জামান ও মুত আবদুল মালেকের ছেলে আবদুর শুক্কুর এ রকম অভিযোগ এনে গত ২৭ অক্টোবর টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এক লিখিত অভিযোগনামা দায়ের করেছেন।

এসব বিষয়ে সিরাজুল হক বলেন, তারা ১০ ভাইসহ তাদের পরিবার মসজিদ ও মাদরাসার জন্য প্রায় এক কানি জমি দান করেছিলেন। সেই দান করা জমিতে নির্মিত মসজিদ ও মাদরাসাটি পরিচালনা কমিটির লোকজন গোপনে জঙ্গি গোষ্টির নিকট হস্তান্তর করেন বলে লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে।

এলাকাবাসীর সন্দেহ, অরণ্যঘেরা পরিবেশের মসজিদ ও মাদরাসাটিকে রোহিঙ্গাদের একটি গোপন মিলন ক্ষেত্র করতেই এমন কাজটি করা হয়েছে। এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির লোকজনের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করেও তাদের কাউকে মোবাইলে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় গ্রামবাসী বিষয়টি তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা