kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

এখনো নিখোঁজ তালতলীর ৭ জেলে

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ২০:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এখনো নিখোঁজ তালতলীর ৭ জেলে

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলার এফবি তরিকুল ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ১৫ জেলের মধ্যে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৮ জন জেলে বাড়ি ফিরে আসলেও গত ৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে এখনো ৭ জেলে।

ফিরে আসা জেলে সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার তালতলী উপজেলার লালুপাড়া গ্রামের মো. নজরুল ইসলাম স্বপনের মালিকানাধীন এফবি তরিকুল নামের একটি ট্রলার ৩ নভেম্বর গভীর সাগরে মাছ ধরছিল। ট্রলারটি তীরে ফেরার পথে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে সুন্দরবন এলাকার নারিকেল বাড়িয়ায় ডুবে যায়। এ সময় ওই ট্রলারে থাকা ১৫ জন জেলের মধ্যে ৯ জন জেলে সাগরে ৩ দিন ভাসতে ভাসতে বিছিন্নভাবে ভারত ও বাংলাদেশের সিমান্ত এলাকা পাগড়াতলী চরে পৌঁছান। ওই চরে টহলে থাকা বিজেবি সদস্যরা তাদের মধ্যে ৮ জেলেকে উদ্ধার করে কৈখালী বিজিপি ক্যাম্প ও পরে শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করেন। সাগরে ভাসা অপর জেলে সবুজ ফরাজী (২০) ভাগ্যে কি ঘটেছে তা এখনো বলা যাচ্ছে না।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উদ্ধার হওয়া ওই ৮ জেলে নিজ বাড়ি লালুপাড়া গ্রামে ফিরলেও গত ৫ দিন ধরে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৭ জেলে। তারা হলেন সাগরে ভাসা জেলে তালতলীর সবুজ ফরাজী (২০), সোনাকাটা ইউনিয়নের লালুপাড়া গ্রামের কাঞ্চন আলী হাওলাদারের পুত্র শানু হাওলাদার (৫৫), আলী আকবর হাওলাদারের পুত্র মো. রাসেল মিয়া (২৫) ও ময়জদ্দিন হাওলাদারের পুত্র মো. কামাল হোসেন (৩৮), মো. লিটন (৫০), সুমন (৩০) ও ট্রলার মিস্ত্রী বরগুনার নলী এলাকার মো. হোসেন আলী (৫৫)।

উদ্ধার হওয়া জেলে পনু মোল্লা, জসিম ফরাজি ও আনোয়ার হোসেন সিকদার জানান, আমাদের ট্রলারে থাকা ১৫ জেলের মধ্যে মিস্ত্রিসহ ৬ জন জেলে ট্রলারের ভেতরেই ছিল। প্রবল ঢেউয়ে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার সময়ও তারা ট্রলারের ভিতরেই ছিল। ভিতর থেকে তাদের বের হতে দেখেনি। তাদের ধারনা ওই ৬ জেলে ট্রলারের ভিতরে থেকে বের হতে পারেননি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা