kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েও শেষ রক্ষা হলো না

বাথরুম থেকে ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার

বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০৮:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েও শেষ রক্ষা হলো না

মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরশহরের আয়শা ট্রেডার্সের বিশ্বস্ত দোকান কর্মচারী অনুপম দত্ত যিশু (২৮) দোকানের ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিতে ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি।

অবশেষে পুলিশের জেরায় টাকা আত্মসাতের কথিত ছিনতাই নাটক সাজানোর কথা স্বীকার করে। মঙ্গলবার বিকেলে তার সহযোগী স্বপন দত্তের বাড়ি থেকে পুলিশ পুরো টাকা উদ্ধার করে এবং তাদেরকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, আয়শা ট্রেডার্সের মালিক মাহবুবুর রহমান গতকাল সোমবার বিকেলে বিশ্বস্থ দোকান কর্মচারী অনুপম দত্ত যিশুকে পুবালী ব্যাংক ও ডাচবাংলা ব্যাংক থেকে ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করে এনসিসি ব্যাংকে গিয়ে কম্পানির নামে টিটি করার জন্য ৬টি চেক প্রদান করেন। এরপর অনুপম টাকা তুলে কথিত ছিনতাইয়ের নাটক সাজায়। এনসিসি ব্যাংকে যাওয়ার পথে একটি কালো রঙের লাইটেসে ছিনতাইকারীরা তাকে প্রাণে হত্যার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে উপজেলার  দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপির হাতলিঘাট এলাকায় মারধর করে ফেলে যায়। রাতে সেখান থেকে আহত অবস্থায় কোনোমতে সে বড়লেখা হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়। দোকান মালিক মাহবুবুর রহমান জানতে পেরে এঘটনাটি পুলিশকে অবহিত করেন এবং মঙ্গলবার সকালে থানায় গিয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে ছিনতাই মামলা দায়ের করেন।

বড়লেখা থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হক হাসপাতালে গিয়ে আহত দোকান কর্মচারী অনুপদ দত্ত যিশুকে ছিনতাইয়ের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথাবার্তায় ব্যাপক অসঙ্গতি পান। পুলিশের তদন্তে ক্রমশ সন্দেহের তীর তার দিকে ধাবিত হতে থাকে।

এক পর্যায়ে টাকা আত্মসাতের লক্ষে সে ছিনতাইয়ের নাটক সাজানোর কথা পুলিশের নিকট স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে মঙ্গলবার বিকেলে সহযোগী স্বপন দত্তের বারইগ্রামস্থ বাড়ির বাথরুমে শপিং ব্যাগে রক্ষিত অবস্থায় সমুদয় টাকা উদ্ধার করে তাদের দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।

বড়লখা থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হক মঙ্গলবার রাতে বলেন, মামলার পরই আমরা অভিযানে নামি। প্রথমে অনুপমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু অনুপমের কথাবার্তায় অসঙ্গতি পাওয়ায় পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে সে টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তিতে পুলিশ তার সহযোগী স্বপন দত্তকে গ্রেফতার ও কথিত ছিনতাইয়ের সমুদয় টাকা উদ্ধার করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা