kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

চট্টগ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নগর যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ পণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০৩:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নগর যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ পণ্ড

চট্টগ্রামে স্লোগান-পাল্টাস্লোগানকে কেন্দ্র করে মহানগর যুবলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এক কাউন্সিলরসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও দফায় দফায় সংঘর্ষের একপর্যায়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। এর আগে মঞ্চের সামনে যুবলীগের চরম বিশৃঙ্খলা দেখে সভাস্থল থেকে বেরিয়ে যান সমাবেশের প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপশিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে নগর যুবলীগ আয়োজিত সমাবেশে এসব ঘটনা ঘটে। 

ওই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের। তবে সমাবেশ পণ্ড হওয়ার খবর পেয়ে তিনি মাঝপথ থেকে ফিরে যান বলে জানান তাঁর অনুসারীরা। 

নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুর সভাপতিত্বে গতকাল বিকেল ৪টার দিকে এই সমাবেশ শুরু হয়। যুগ্ম আহ্বায়ক দিদারুল আলমের সঞ্চালনায় সভা শুরুর পর পাঁচ নেতা বক্তব্য দেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দুই পক্ষের চেয়ার, পাথর ও ইটের টুকরা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট এ পরিস্থিতি চলার পর পুলিশ উভয় পক্ষকে ধাওয়া দিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেয়। কিছুক্ষণ পর আবার শুরু হয় সংঘর্ষ। একপর্যায়ে সমাবেশ ত্যাগ করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল। 

বিকেল প্রায় ৫টা পর্যন্ত লালদীঘি মাঠে যুবলীগকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার কারণে আশপাশের সড়কে বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ থাকে। অনেকে দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। নগর যুবলীগ আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে মঞ্চ থেকে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, এর আগে নগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর মোবারক আলী মিছিল নিয়ে সভায় আসেন। তাঁর প্রবেশের সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। এর জেরে পরে আবার মারামারি হয়। এতে মোবারক আলীসহ পাঁচজন আহত হয়। এরপর দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে আরো অন্তত ১৫ জন আহত হন। সংঘাতে জড়িতরা মোবারক আলী, এমইএস কলেজ ছাত্রসংসদের এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারী, আগ্রাবাদ যুবলীগসহ কয়েকটি এলাকা থেকে আসা যুবলীগ কর্মী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা