kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

বেতাগীতে বুলবুলে সর্বস্বান্ত কৃষক

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ২০:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেতাগীতে বুলবুলে সর্বস্বান্ত কৃষক

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে বিষখালী নদীর তীরবর্তী বেতাগী উপজেলায় আমন ধান ও রবি ফসল খেতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে ফসল কম হওয়ার আশঙ্কায় কৃষক চিন্তিত হয়ে পড়েছে। 

উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রোপা আমন আবাদ হয়েছে ১০ হাজার ৭০২ হেক্টর,যার ২.৩৮ শতাংশ বিনষ্ট হয়েছে। ধনিয়া ৩ হেক্টরের ক্ষতি ৮০ শতাংশ, মরিচ ০.৫ হেক্টরের ৮০ শতাংশ, শীতকালীন শাক-সবজি ১২০ হেক্টরের ৬১.২৫ শতাংশ, আখ ৫ হেক্টরের ২৪ শতাংশ, খেশারী ৫ শত হেক্টরের ৮০ শতাংশ, পান ১৪০ হেক্টরের ১৩.৫০ শতাংশ ও কলা ৫০ হেক্টরের ২০ শতাংশ ক্ষতি হয়েছে।

উত্তর ছোট মোকামিয়া গ্রামের কৃষক মো. মধু মিয়া জানান, ৫৫ একর জমিতে মৌলতা, দুধ কলম, কালিজিরা ও দেশীয় ধান জাতের আবাদ করেছিলেন। বর্তমানে তা পানিতে তলিয়ে থাকায় এ ফসল ঘরে না তোলার উপক্রম হয়েছে।

সদর ইউনিয়নের ঝিলবুনিয়া গ্রামের কৃষক মো. জামাল মোল্লা বলেন, ঘূর্ণিঝড় তাদের কোমর ভেঙে দিয়েছে। তিনি ৭ শতাংশ জমিতে বেগুন, করলা, ধনিয়া ও মরিচের বীজ বুনেছিলের। পানিতে তলিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

হোসনাবাদ ইউনিয়নের জলিশা গ্রামের কৃষানী মোসা. রেহেনা বেগম বলেন, টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে ধান খেতে প্রকৃতি মই দিয়েছে। পানি অপসারণের সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়বে। ফলে কাঙ্ক্ষিত ফলন তো দূরের কথা পুরো ধান চিটা হয়ে পরবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে কৃষি ক্ষেত্রে যে ক্ষতি হয়েছে তার পরিমাণ নিরুপণ করে সাহায্য সহযোগিতার জন্য জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।

ইতোমধ্যে বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মতিয়ার রহমান ও অতিরিক্ত উপপরিচালক বদরুল আলম সরেজমিনে এসে পরিদর্শন করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা