kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

ভল্ট ইনচার্জসহ সাতজন পুলিশ হেফাজতে

কাস্টম ভল্ট ভেঙে চুরি, ১৯ কেজি সোনা গায়েব

৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ১৩:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাস্টম ভল্ট ভেঙে চুরি, ১৯ কেজি সোনা গায়েব

বেনাপোল কাস্টম হাউজের ভল্ট ভেঙে ১৯ কেজি ৩৮৫ গ্রাম স্বর্ণ চুরি হয়ে গেছে। সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ১০টায় প্রাথমিক তদন্ত শেষে যশোর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শুক্রবার, শনিবার অথবা রবিবার অফিস বন্ধ থাকায়, এ তিন দিনের মধ্যে যেকোনো দিন চোরচক্র এ চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। এদিকে চুরির ঘটনায় বেনাপোল কাস্টম হাউজের একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, একজন সিপাইসহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, কাস্টম হাউজের ওই ভল্টে জব্দকৃত ২৯ থেকে ৩০ কেজি স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা, কষ্টিপাথরসহ মূল্যবান দলিলপত্র ছিল। সোমবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত দীর্ঘ অনুসন্ধান করে ১৯ কেজি ৩৮৫ গ্রাম স্বর্ণ কম পাওয়া গেছে। অন্যান্য বিষয় তদন্ত শেষে জানানো হবে। কাস্টমসের যে স্থনে লকার ছিল, সেখানে কোনো নিরাপত্তাকর্মী থাকে না। এতে সহজে চোরচক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

এত নিরাপত্তা ও সিসিটিভি ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও কিভাবে চুরি হলো? আর কেনই-বা সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে চোরচক্রকে শনাক্ত করা হচ্ছে না। এর জবাবে তিনি বলেন, এ তিন দিন উক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। যে কারণে সিসিটিভি ফুটেজ দিয়ে চোরচক্রকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তবে তদন্ত করে চোরচক্রকে ধরা হবে বলে জানান। এ সময় তদন্তটিমের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার সকালে কাস্টম হাউস ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের তুলনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কাস্টমের পক্ষ থেকে যুগ্ম কমিশনার মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ভল্ট ইনচার্জসহ সাতজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। যুগ্ম কমিশনার জানান, তদন্ত চলছে। তদন্ত রিপোর্ট দ্রুত কাস্টম কমিশনারের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা