kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

মানোন্নয়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ভর্তির দাবিতে মানববন্ধন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০৩:২৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মানোন্নয়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ভর্তির দাবিতে মানববন্ধন

২০১৮ সালে ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ২০১৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিকে মানোন্নয়ন পরীক্ষার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় উর্ত্তীণদের ভর্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে বিজ্ঞপ্তিতে অসঙ্গতি ও শিক্ষার্থীদের উভয় পক্ষের ভুল শুধরে নিয়ে উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না করার আহবান জানান বক্তারা। গতকাল সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মানোন্নয়ন উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা একত্মতা প্রকাশ করে যোগ দেন।

মানববন্ধনে মানোন্নয়নকারী উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা এখানে যোগ্যতা বলে আসা সত্ত্বেও কেন  ভর্তি হতে পারবনা, অস্পষ্ট নীতিমালার দায় আমরা কেন নিব? প্রশাসন এখনো ইতিবাচক কোন আশা দেখাতে পারিনি, তবুও আমরা আশা করছি দ্রম্নত সময়ের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পাব। 
তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের আবেদন ও পরীক্ষায় অংগ্রহণসহ ফলাফলও প্রকাশ করেছে। আমরা কত কষ্ট করে এক বছর নষ্ট করে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছি। এজন্য শুধু আমরা নয়, ভর্তি না হতে পারলে আমাদের পুরো পরিবারের স্বপ্ন নষ্ট হয়ে যাবে।

একত্মতা প্রকাশ করে বিভিন্ন সংগঠনের নেতা- কর্মীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন রয়েছে, এসবের মাঝে জটিলতাও রয়েছে। এসব জটিলতা দূর করে কিভাবে উত্তীর্ণদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া যায় সে ব্যবস্থা করুন। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সমপাদন হয়েছে। কিন্তু সার্কুলারে অসংগতির কারণে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারছে না। যেখানে অসপষ্টতা থাকে, সেখানেই জটিলতা সৃষ্টি হয়। ছেলেমেয়েগুলোকে যেহেতু পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেহেতু তাদের  ভর্তির সুযোগ দিতে হবে।

তারা বলেন, ভর্তি কমিটির ভুলের কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী মাশুল দিতে হচ্ছে। প্রশাসন চাইলেই মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া এসব শিক্ষার্থীদের ভর্তি গ্রহণ করতে পারে। ভুল প্রশাসনের হয়েছে, শিড়্গার্থী উভয়েরই হয়েছে। ভুল শুধরে নিয়ে তাদেরকে ভর্তির সুযোগ দিন। তাদের স্বপ্নটাকে ভেঙে দিয়ে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিবেন না।’ 

এদিকে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ‘২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির জন্য যারা ২০১৮ সালের উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ফলাফলে আবেদনের যোগ্য ছিল না, তবে ২০১৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় (মান উন্নয়ন) অংগ্রহণ করে যোগ্যতা অর্জন  করেছে তারা আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

তবে ২০১৮ সালে আবেদনের যোগ্য ছিলেন এবং অধিকাংশ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীড়্গা দিয়েছিলেন এমন শিক্ষার্থীরাই আন্দোলন করছেন। যদিও গত দু’বছর ধরে চবিতে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ বন্ধ রয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা