kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

আগুনে সব পুড়ে ছাই, অক্ষত কোরআন শরীফ

মোবারক হোসেন, সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ)   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০১:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আগুনে সব পুড়ে ছাই, অক্ষত কোরআন শরীফ

ছবি: কালের কণ্ঠ

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে প্রতিপক্ষের দেওয়া আগুনে এক ব্যক্তির বসতবাড়ির আসবাবপত্রসহ সব কিছু পুড়ে হয়ে গেলেও সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে পবিত্র কোরআন শরীফ। এই মহা গ্রন্থের একটি অক্ষরও আগুন স্পর্শ করেনি। গত রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার চালা ইউনিয়নের উত্তর চাঁনপুর গ্রামের আব্দুল মাজেদ মুন্সির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত রবিবার দিবাগত রাতে হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়নের উত্তর চানপুর গ্রামের আব্দুল মাজেদ মুন্সির বসতবাড়িতে পেট্রল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। এতে ঘরে থাকা চালডাল, বই খাতা ও আসবাবপত্রসহ সব জিনিসপত্র ভস্মীভূত হয়। কিন্তু বই খাতার পাশে রাখা পবিত্র কোরআন শরীফ সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়।

বাড়ির মালিক আব্দুল মাজেদ মুন্সির ছেলে নাসির উদ্দিন বলেন, আগুনে নগদ টাকা, বই খাতা ও আসবাপত্রসহ অন্তত ৬-৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বই খাতার পাশে একটি পবিত্র কোরআন শরীফ ছিল। অন্যান্য জিনিসপত্রের মতো গিলাফ ও রেহাল পুড়ে কয়লা হয়ে গেলেও আগুনের লেলিহান শিখা কোরআন শরীফের একটি অক্ষরও স্পর্শ করেনি।

স্থানীয় সাংবাদিক শুভংকর পোদ্দারসহ একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আগুনে কোরআন শরীফের সাদা অংশ কিছুটা কালচে দাগ হয়েছে। কিন্তু লেখার কোনো ক্ষতি হয়নি। অক্ষত পাওয়া পবিত্র কোরআন শরীফটি দেখতে উৎসক জনতা ভিড় জমায়।

স্থানীয় সমাজকর্মী আবিদ হাসান বলেন, আল্লাহপাক পবিত্র কোরআন শরীফ নাজিল করেছেন। তিনিই তার পবিত্র গ্রন্থ হেফাজতের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ঘটনাই তার উজ্জল দৃষ্টান্ত। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান এই সমাজকর্মী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা