kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

সিজারের সময় কথিত ডাক্তারের পলায়ন, প্রসূতির মৃত্যু

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিজারের সময় কথিত ডাক্তারের পলায়ন, প্রসূতির মৃত্যু

পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের ইসলামিক হাসপাতাল নামের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে এক প্রসূতি মায়ের সিজার করার সময় রোগীকে ফেলে পালালেন সাদ্দাম হোসেন নিবির নামের কথিত ডাক্তার। এ সময় রোগীর স্বজনদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে খোঁজ করে ওই ডাক্তারকে আটক করলেও ক্লিনিকের মালিক বাবলু হোসেন ও সেখানকার সকল স্টাফ পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা রোগীকে মুমূর্ষু অবস্থায় পাবনা মেডিক্যালে পাঠালে রাত সাড়ে ৯টায় প্রসূতি তাসলিমা খাতুন (২৫) মারা যায়।

নিহত প্রসূতি তাসলিমা খাতুন উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের কুমারগারা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী ও একই গ্রামের কৃষক মজনুর রহমানের মেয়ে। তবে ওই প্রসূতির জন্ম দেওয়া মেয়ে শিশুটি বেঁচে আছে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার দুপুরে প্রসব বেদনা নিয়ে প্রসূতি তাসলিমাকে তার স্বজনরা পৌর শহরের পূর্বের অর্পণ সিনেমা হলের সামনে ইসলামিক হাসপাতাল নামের ক্লিনিকে ভর্তি করেন। ভর্তি করার পরে ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজনদের জানায় রাতেই প্রসূতির সিজার করতে হবে ডাক্তার বাইরে আছেন সন্ধায় চলে আসবেন। সন্ধ্যার পরে কথিত ডাক্তার নিবির আসলে ক্লিনিকে আসলে রোগীর অপারেশন শুরু করেন তিনি।

অপারেশনের এক পর্যায়ে রোগীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে সে সহ সকল স্টাফ রোগীকে ওটিতে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে এই কথিত ডাক্তার নিরবের বিষয়ে জানা যায় সে আসলে কোনো ডাক্তারই না। পার্শ্ববর্তী নাটোর বনপাড়ায় নিজস্ব একটি ক্লিনিক পরিচালনা করেন তিনি। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে এই প্রতিষ্ঠানের মালিক বাবলুসহ সকল স্টাফ এখনো পলাতক রয়েছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সহকারী পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) সজীব শাহরীন জানান, কথিত ওই ভুয়া ডাক্তারকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ক্লিনিক মালিক বাবলুকে আটকের জন্য পুলিশ অভিযানে নেমেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা