kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

টানা বৃষ্টি ও ঝড়ে বিনষ্ট বীজতলা

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি   

১১ নভেম্বর, ২০১৯ ২২:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টানা বৃষ্টি ও ঝড়ে বিনষ্ট বীজতলা

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে তিনদিনের টানা বৃষ্টিতে মাদারীপুরের শিবচরে আমন ধান, পেয়াজ, রসুনসহ প্রায় সাড়ে ৬ শ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বীজতলা বিনষ্টসহ ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কয়েক গুণ বেশি হবে বলে মনে করছেন কৃষকরা।

সূত্র জানায়, শুক্রবার থেকে তিনদিন টানা বৃষ্টিপাত হয়। উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ৯ শ ৭৫ হেক্টর জমিতে পাকা আমন ধান রয়েছে। তারমধ্যে বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে ৩ শ ৪৫ হেক্টর পাকা ধান মাটির সাথে মিশে গেছে। পেয়াজ ও রসুনের মৌসুম শুরু হয়েছে। উপজেলায়  ৫ শ হেক্টর জমিতে পেয়াজ ও ৪ শ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। বৃষ্টিতে ক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় এসব বীজতলার বড় অংশ ক্ষতির শিকার। প্রায় ২০ হেক্টর জমির কলা গাছ ভেঙ্গে গেছে। এসব ক্ষতির পরিমান নিরুপনে মাঠে কাজ করছে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর।
বহেরাতলা উত্তরের যাদুয়ারচর এলাকার কৃষক সিরাজ হাওলাদার বলেন, 'পাঁচ বিঘা জমিতে পেয়াজ ও দুই বিঘা জমিতে রসুনের বীজ লাগানো শেষ করেছি দুদিন আগে। টানা বৃষ্টিতে ক্ষেতে এখন হাটু পরিমান পানি জমে গেছে। এতে সকল বীজই পচে যাবে।'

সোতারপাড় এলাকার কৃষক আলমগীর মোল্লা বলেন, 'অনেক কৃষকের ক্ষেত ভরা পাকা আমন ধান। যার অধিকাংশ নষ্ট হয়েছে। আমাদের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। এখন সারা বছর খাবো কি তাই ভাবছি।'
কুতুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান বলেন, 'ঘূর্নিঝড় ও টানা বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে কৃষকদের সহযোগিতার দাবি জানাই।'

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা অনুপম রায় বলেন, ' ঘূর্নিঝড় বুলবুলের প্রভাবে তিন দিনের টানা বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাসে প্রায় সাড়ে ছয়শ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জমে থাকা পানি দ্রুত সরানোর জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আমরা ক্ষতির সঠিক পরিমান নিরুপনে মাঠে কাজ করছি।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা