kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রিনা হত্যা : মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ২২:০৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রিনা হত্যা : মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ৩

গাজীপুরে বিলাসপুর এলাকার গৃহবধূ রিনা আক্তারকে (৪৫) হত্যা ও তার স্বামী সিদ্দিক বেপারীকে (৫০) জখম করার মূলহোতা হোসেনসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ শনিবার দুপুরে র‌্যাব-১ এর পোড়াবাড়ি ক্যাম্প এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো ভোলা সদরের বঙ্গেচর এলাকার আ. হামিদ বেপারীর ছেলে মো. হোসেন ওরফে আপন (১৯), মাগুরার মোহাম্মদপুর থানার  নারায়নপুর এলাকার জহির রায়হানের ছেলে ইমন রায়হান (১৮), ঢাকার আশুলিয়ার ঝাউচর এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে রায়সুল ইসলাম রিফাত (১৯)।

র‌্যাব-১ এর গাজীপুরের পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, গত ৩ নভেম্বর বিলাসপুর এলাকায় রিনা আক্তারকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা এবং তার স্বামী সিদ্দিক বেপারীকে শরীরের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে মো. হোসেন ও তার অপর দুই বন্ধু পালিয়ে যায়। ওই খুনের ঘটনার জড়িতদের গ্রেপ্তারে র‌্যাব-১, পোড়াবাড়ী ক্যাম্প সোর্স নিয়োগসহ গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়া থেকে রায়সুল ইসলাম রিফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিফাত খুনের কথা স্বীকার করে এবং ঘটনার সাথে জড়িত তার অপর দুইবন্ধু হত্যাকাণ্ডের মুলহোতা মো. হোসেন এবং রায়হানের নাম প্রকাশ এবং তার তথ্যমতে শুক্রবার মধ্যরাত ২টার দিকে রায়হানের নানার বাড়ি মাগুরার মোহাম্মদপুর বাজার হতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা আরো জানান, টাকা এবং স্বার্ণালংকার লুট করার জন্য মো. হোসেন তার দুই বন্ধু চাকু ও রশি নিয়ে ২ নভেম্বর তার চাচা সিদ্দিক বেপারীর বাসায় বেড়াতে যায়। ওইদিন রাতে খাবার খেয়ে সিদ্দিক বেপারীর বাসার ছাদে বসে পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভোরে সিদ্দিক বেপারী ফজরের নামাজেরর উদ্দেশ্য বাসা থেকে বের হলে তারা রিনা আক্তারকে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে বিছানায় শোয়ায়ে রাখে। সিদ্দিক বেপারী মসজিদ থেকে ফিরে এল তাকেও রশি দিয়ে বেঁধে জবাই করার চেষ্টা করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরে বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপায়। সিদ্দিক বেপারী মরার ভান ধরে ফ্লোরে পড়ে থাকলে তারা আলমারি ভেঙে নগদ ৩ লক্ষ টাকা ও বিপুল পরিমাণের স্বর্ণলংকার লুট করে। পরে চাচাতো ভাই দেলোয়ারের শয়ন কক্ষের দিকে গেলে সিদ্দিক বেপারি গুরুতর আহত অবস্থায় সিড়ির নিকট গিয়ে ডাক-চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন আসতে থাকলে তারা তিনজন রক্তাক্ত জামা পড়া অবস্থায় নিয়ে পালিয়ে যায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা