kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চাঁদপুরে ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

চাঁদপুর প্রতিনিধি    

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ২০:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁদপুরে ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে গতকাল মধ্যরাত থেকে নৌপথে চাঁদপুরের সঙ্গে যাত্রীবাহী লঞ্চসহ সবধরণের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। যে কারণে শনিবার দিনভর চাঁদপুর থেকে রাজধানীর সদরঘাট, নারায়ণগঞ্জ এবং দক্ষিণাঞ্চলের উদ্দেশ্যে যাত্রীবাহী কোনো লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। দুর্গম চরাঞ্চল এবং নদীপারের মানুষদের নিরাপদে রাখার জন্য ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে সাড়ে ৫ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে, লঞ্চ-স্পিডবোট এবং অ্যাম্বুলেন্স।

এর ফলে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালে বেশকিছু যাত্রী আটকা পড়েছেন। এদের অনেকেই চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে চাঁদপুর হয়ে নৌপথে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রী। এমন পরিস্থিতিতে আটকা পড়া যাত্রীরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

এদিকে, যাত্রীবাহী লঞ্চসহ অন্যান্য নৌযান চলাচল বন্ধ রাখতে নৌপুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। যেন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কোনো নৌযান চলাচল না করে।

অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সম্ভাব্য ক্ষতিক্ষতি এড়াতে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নিয়ে শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে জরুরি সভা হয়েছে। এতে স্বাস্থ্যবিভাগ, ফায়ারসার্ভিস, রেডক্রিসেন্ট এবং জরুরি সেবা সংস্থা সমূহের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল পরিস্থিতি মোকাবেলা প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, ইতিমধ্যে ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে সাড়ে ৫ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষদের নিরাপদে নিয়ে আসার জন্য দুটি লঞ্চ, ২০টি স্পিডবোট, ১০টি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনাপারের উপজেলাসহ অন্য সবগুলো উপজেলা প্রশাসন বুলবুল পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা