kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সেন্ট মার্টিনসে আটকা পড়া পর্যটকরা নিরাপদে আছেন

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি    

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেন্ট মার্টিনসে আটকা পড়া পর্যটকরা নিরাপদে আছেন

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর কারণে সাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্ট মার্টিনস নৌ রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। এ কারণে গতকাল শুক্রবার থেকে পর্যটকবাহী কোনো জাহাজ সেন্ট মার্টিনস যায়নি। ফলে সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা দেড় হাজার পর্যটক ফিরতে পারেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রথম দিকে ফিরতে না পেরে আটকাপড়া পর্যটকরা কিছুটা উৎকণ্ঠায় থাকলেও প্রশাসনের তদারকিতে তারা এখন সেখানে নিরাপদ অবস্থানে রয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনসহ, ইউনিয়ন পরিষদ, হোটেল-মোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তাদেরকে সার্বক্ষণিক সব ধরনের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

টেকনাফ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সেন্ট মার্টিনসে আটকা পড়া পর্যটকদের ব্যাপারে নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে। তাদের সেখানে থাকা-খাওয়ার ব্যাপারে যাতে কোন অসুবিধা না হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের যাবতীয় সহযোগিতা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে তাদেরকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সেন্ট মার্টিনস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর আহমদ কালের কণ্ঠকে বলেন, দ্বীপে আটকা পড়া পর্যটকদের ব্যাপারে সব ধরনের তদারকি করা হচ্ছে। দ্বীপে অবস্থিত সব আবাসিক হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া আটকা পড়া পর্যটকদের থাকা খাওয়াতে সর্বোচ্চ আর্থিক ছাড় দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে উত্তাল সাগরের মাঝে অবস্থিত এই প্রবাল দ্বীপে আটকা পড়ে পর্যটকরা ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' ভয়ে অনেকটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তবে এ ব্যাপারে দ্বীপের বাসিন্দারা তাদের অভয় দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

দ্বীপের বাসিন্দা মো. জুবাইর হোছাইন বলেন, আটকা পড়া পর্যটকরা খুব ভয় পেয়েছিল। সাগরের বুকে একটি দ্বীপ, তাই ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে, তারা এমনটি ধারণা করেছিল। তবে আমরা তাদের বলেছি, অতীতের সব বড় বড় ঝড়-তুফানেও দ্বীপে একটি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেনি। আল্লাহ এ দ্বীপটি সবসময় নিরাপদে রেখেছেন।

গাইবান্ধা থেকে স্বপরিবারে সেন্ট মার্টিনসে ঘুরতে আসা শামসুন্নাহার বলেন, ফিরতে না পেরে প্রথমদিন কিছুটা অস্বস্তি লেগেছিল। তবে এখন ভয় নেই, সবাই যে যার যার মতো আমাদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন, সবাই পাশে থেকে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা