kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বুলবুল আতঙ্কে শরণখোলার ১০ হাজার আমন চাষী

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বুলবুল আতঙ্কে শরণখোলার ১০ হাজার আমন চাষী

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আতঙ্কে পড়েছে বাগেরহাটের শরণখোলার ১০ হাজার আমন চাষী। মাঠের বেশিরভাগ ধানের চারায় শীষ বেরিয়েছে। অনেক এলাকায় উফশি আগাম জাতের ধান পেকে গেছে। মাঠে এখন শুধু আমনের জয় জয়কার। এই মুহূর্তে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছে চাষী ও কৃষি বিভাগ।

এদিকে বুলবুলের প্রভাবে গত দুদিন ধরে শরণখোলায় দমকা বাতাস আর বৃষ্টি হচ্ছে। অধিক ঝুঁকিতে রয়েছে বলেশ্বরর ভাঙনকবলিত ও নদতীরবর্তী সাউথখালী ইউনিয়নের বগী, উত্তর সাউথখালী ও দক্ষিণ সাউথখালী এলাকার আমন ফসল। ইতিমধ্যে ঝড়ো বাতাসে ওইসব এলাকার কয়েক শ একর জমির ধান মাটিতে হেলে পড়েছে।

উপজেলার বগী গ্রামের চাষী জালাল খলিফা, সোবাহান হাওলাদার মোজাম্মেল খলিফা মোসলেম ফরাজী, খোন্তাকাটা গ্রামের চাষী মোখলেছ হাওলাদার, রাজৈর গ্রামের চাষী দুলু তালুকদার, পশ্চিম রাজৈর গ্রামের চাষী লোকমান মোল্লা, খালেক কাজী জানান, মাঠের ফসল নিয়ে তাদের মতো সব চাষীই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। এমন সময় সামান্য বাতাস হলেই ধানের সর্বনাশ হয়ে যাবে।

সাউথখালী ইউনিয়নের বগী, উত্তর সাউথখালী ও দক্ষিণ সাউথখালী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াদুল পঞ্চায়েত, সাইফুল ইসলাম হালিম শাহ্ ও জাকির হোসেন জানান, ইতিমধ্যে তাদের তিনটি ওয়ার্ডের বলেশ্বর তীরের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন পাঁচটি গ্রামের চার-পাঁচ শ একর জমির ধান বাতাসে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ওই এলাকার বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌমিত্র সরকার জানান, এ বছর উপজেলার চারটি ইউনিয়নে ৯ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে ১০ হাজার চাষী আমনসহ উন্নত ফলনশীল (উফশি) জাতের ধানের চাষাবাদ করেছে। উফশি জাতের প্রায় সাড়ের হাজার হেক্টর জমির ধানে ফলন এসেছে। কিছু কিছু পেকেও গেছে। পাকা ধান কাটতে কৃষকদের পরার্শ দেওয়া হয়েছে। এখন বেশিরভাগ ধানগাছের শীষ বের হওয়ায় মাথা ভারি হয়ে গেছে। এই মুহূর্তে ঝড়-বন্যা হলে ব্যাপক ক্ষতি হবে। তাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ফসলের তদারকি ও কৃষকদের পরামর্শ দিতে সার্বক্ষণিক মাঠে রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা