kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সাতক্ষীরায় দিনভর বৃষ্টি, আশ্রয় কেন্দ্রে ৬০ হাজার মানুষ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি   

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১৬:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাতক্ষীরায় দিনভর বৃষ্টি, আশ্রয় কেন্দ্রে ৬০ হাজার মানুষ

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সাতক্ষীরায় দিনভর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বইছে। আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে ১০ নং মহাবিপদ সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ, বিজিবি, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সমন্বয়ে গঠিত টিম উপকূলবর্তী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসছে।

আজ শনিবার বিকেল পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার কাজ চলমান আছে। এদিকে হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিক সার্বক্ষণিক খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এস এস মোস্তফা কামাল ইতিমধ্যে জেলার ২৭০টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৬০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। এ ছাড়া দুর্যোগ কবলিতদের সহায়তায় ৩১০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৫ লাখ ৪২ হাজার টাকা, ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৭ হাজার পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও পর্যাপ্ত ওষুধপত্র মজুদ রাখা হয়েছে। একই সাথে দুর্যোগ পূর্ববর্তী, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী তিন স্তরের প্রশিক্ষিত ২২ হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ ৮৫টি মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এ ছাড়া শিশুদের জন্য ১ লাখ টাকা ও গবাদি পশুর জন্য আরো ১ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

উপকুলীয় উপজেলা শ্যামনগর, আশাশুনি ও কালিগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া সুন্দরবন সংলগ্ন নদী ও খালে থাকা নৌযানগুলিকে উপকূলবর্তী নিরাপদ স্থলে আনা হয়েছে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার দুটি বিভাগের আওতায় ২৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। বুলবুলের জলোচ্ছ্বাস আঘাত যদি ৭ ফুট উচ্চতায় হয় সেক্ষেত্রে এসব বেড়িবাঁধ রক্ষা করা সম্ভব হবে না বলে জানা গেছে।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের উপ-পরিচালক জুলফিকার অলী জানান, বেলা ২ পর্যন্ত সাতক্ষীরায় ২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এখনও পর্যন্ত সাতক্ষীরায় ১০ নং বিপদ সংকেত চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা